ব্রেকিং নিউজ:

বিসিএস সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে। সংবিধান বিষয়ে প্রস্তুতিকে মজবুত করতে শীঘ্রই কোর্স চালু হতে যাচ্ছে। বিসিএস সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে। সংবিধান বিষয়ে প্রস্তুতিকে মজবুত করতে শীঘ্রই কোর্স চালু হতে যাচ্ছে।

নোটিশ

বিজ্ঞপ্তি

বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিকে আরো সহজতর করে তুলতে বিসিএস জানালা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কোর্স ডেভোলপ করে যাচ্ছে। আশাকরি আমাদের পরিশ্রম শিক্ষার্থীদের প্...

২৫.২.২২

ধ্বনি ও বর্ণ















ধ্বনি ভাষার মূল উপাদান। মানুষের বাক প্রতঙ্গের সাহায্যে উচ্চারিত সকল আওয়াজই ধ্বনি। এক বা একাধিক ধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত হয় শব্দ। ধ্বনির নিজস্ব কোন অর্থ নেই। সাধারণত কয়েকটি ধ্বনি মিলিত হয়ে অর্থের সৃষ্টি করে। বাক প্রত্যঙ্গজাত এসব ধ্বনির একটি সূক্ষ্মতম মৌলিক অংশ থাকে যাকে ধ্বনিমূল বলে। বাংলাভাষার ধ্বনিগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:-

  • স্বরধ্বনি: উচ্চারণের সময় মুখবিবরে বাতাস বাধা পায় না, স্বাধীনভাবে উচ্চারণ করা যায়।
  • ব্যঞ্জনধ্বনি: উচ্চারণের সময় মুখবিবরের কোথাও না কোথাও বাতাস বাধা পায়, স্বাধীনভাবে উচ্চারণ করা যায় না। ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণে আবশ্যিকভাবে স্বরধ্বনির আগমন ঘটে।

উল্লেখ্য প্রত্যেক ভাষাতেই কিছু মৌলিক ধ্বনি আছে। বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনি ৩৭টি (স্বরধ্বনি ৭টি ও ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০ টি)।

স্বরধ্বনিকে আবার ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

মৌলিক স্বর: এ ধ্বনিকে ভেঙে উচ্চারণ করা যায় না বা বিশ্লেষণ করা যায় না। মৌলিক স্বরধ্বনি ৭ টি। যথা: অ, আ, ই, উ, এ্যা, এ এবং ও। এগুলোকে পূর্ণ স্বরধ্বনিও বলে।

যৌগিক স্বর: দুটি স্বরধ্বনি একাক্ষর হিসেবে উচ্চারিত হলে তাকে যৌগিক স্বর বা দ্বিস্বর বা সন্ধিস্বর বলে। বাংলায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫ টি। যেমন: অ + এ = অয়, আ + এ = আয় ইত্যাদি।

উচ্চারণের ভিত্তিতে স্বরধ্বনিকে আবার নিম্নোক্তভাবেও ভাগ করা যায়-

পূর্ণস্বরধ্বনি: উচ্চারণের সময় পূর্ণভাবে উচ্চারিত স্বরধ্বনিগুলোই পূর্ণস্বরধ্বনি।

অর্ধস্বরধ্বনি: যে স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় পুরোপুরি উচ্চারিত হয় না তাদের অর্ধস্বরধ্বনি বলে। বাংলা ভাষায় অর্ধ স্বরধ্বনি ৪টি: [ই্], [উ্], [এ্] এবং [ও্]। উল্লেখ্য এ চারটি স্বরধ্বনিকে সবসময় অর্ধস্বরধ্বনি বলা হয় না। শুধুমাত্র যেসব ক্ষেত্রে এরা অর্ধরূপে উচ্চারিত হয় সেগুলো শব্দেই তাদের অর্ধস্বরধ্বনি বলা হয়। যেমন: লাউ = ল + আ + উ্; এ শব্দের আ পূর্ণস্বরধ্বনি এবং উ্ অর্ধস্বরধ্বনি। পূর্ণ স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময়ে টেনে দীর্ঘ করা যায়, কিন্তু অর্ধস্বরধ্বনিকে কোনােভাবেই দীর্ঘ করা যায় না।

দ্বিস্বরধ্বনি: পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়। যেমন: অয়, আয় ইত্যাদি। বাংলা বর্ণমালায় শুধুমাত্র দুটি দ্বিস্বরধ্বনির জন্য আলাদা বর্ণ নির্ধারিত আছে:  (অ+ই) এবং  (অ+উ)। ঐ-এর মধ্যে দুটি ধ্বনি আছে: পূর্ণ স্বরধ্বনি ‘অ’ (বা ‘ও’) এবং একটি অর্ধস্বরধ্বনি ‘ই’। একইভাবে ঔ = পূর্ণ স্বরধ্বনি ‘অ’ (বা ‘ও’) + অর্ধস্বরধ্বনি ‘উ’।

উচ্চারণের সময় জিভের উচ্চতা, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে নিম্নোক্তভাবে ভাগ করা যায় –

জিভের উচ্চতা জিভ-সম্মুখ জিভ-মধ্য জিভ-পশ্চাৎঠোঁটের উন্মুক্তি
উচ্চসংবৃত 
উচ্চ-মধ্য
নিম্ন-মধ্য 
এ 
অ্যা 

অ 
অর্ধ-সংবৃত 
অর্ধ-বিবৃত 
নিম্ন বিবৃত 

ধ্বনি উচ্চারণের জন্য ব্যবহৃত প্রতঙ্গগুলো- ঠোঁট, দাতের পাটি, দন্তমূল, অগ্রদন্তমূল, অগ্রতালু, শক্ততালু, পশ্চাত্তালু, নরম তালু, মূর্ধা, আলজিভ, জিহবাগ্র, সম্মুখ জিহবা, পশ্চাদজিহবা, জিহবামূল, নাসা-গহ্বর, স্বর-পল্লব, স্বরতন্ত্রী, ফুসফুস।

স্পর্শধ্বনি

ক থেকে ম পর্যন্ত মোট ২৫ টি ধ্বনিকে স্পর্শধ্বনি বলা হয়।

অঘোষ
(অল্পপ্রাণ)
অঘোষ
(মহাপ্রাণ)
ঘোষ
(অল্পপ্রাণ)
ঘোষ
(মহাপ্রাণ)
ঘোষ
(অল্পপ্রাণ)
উচ্চারণ স্থান
কণ্ঠ্য (জিহ্বামূল)
শ, য, য়তালব্য (অগ্রতালু)
ষ, র, ড়, ঢ়মূর্ধণ্য (পশ্চাৎ দন্তমূল)
ল, সদন্ত্য (অগ্র দন্তমূল)
ওষ্ঠ্য (ঠোট)
বিভিন্ন প্রকার ধ্বনি

এখানে –

ঘোষ ধ্বনি: উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়।
অঘোষ ধ্বনি: উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না।
অল্পপ্রাণ ধ্বনি: উচ্চারণে নিঃশ্বাস অল্প আকারে সংযোজিত হয়।
মহাপ্রাণ ধ্বনি: উচ্চারণে নিঃশ্বাস জোরে সংযোজিত হয়।

উপরোক্ত টেবিলে ক-ম পর্যন্ত ধ্বনিকে বর্গাকারে সাজানো হয়েছে। বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনিকে (১ম ও ২য় কলাম) অঘোষ ধ্বনি এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম ধ্বনিকে ঘোষ ধ্বনি বলে। এছাড়া বর্গের ১ম, ৩য় ও ৫ম ধ্বনিকে অল্পপ্রাণ ধ্বনি এবং ২য় ও ৪র্থ ধ্বনিকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। আবার বর্গের ধ্বনিগুলোকে সারির প্রথম বর্ণের নাম অনুসারেও নামকরণ করা হয়। যেমন: প্রথম সারির ধ্বনিগুলোকে (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) ক-বর্গীয় ধ্বনি বলা হয়। অনুরূপভাবে দ্বিতীয় সারির ধ্বনিগুলোকে (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) চ-বর্গীয় ধ্বনি, তৃতীয় সারিকে ট-বর্গীয়, চতুর্থ সারিকে ত-বর্গীয় এবং পঞ্চম সারিকে প-বর্গীয় ধ্বনি বলা হয়।

উল্লেখ্য উপরোক্ত ধ্বনিগুলো ছাড়াও (বর্গের বাইরে) অঘোষ অল্পপ্রাণ দ্যোতিত ধ্বনি ৩টি: শ, ষ, স এবং ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি ‘হ’।

আরও বিভিন্ন প্রকার ধ্বনি

  • উষ্মধ্বনি: এসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবরের কোথাও বাঁধা না পেয়ে কেবল ঘর্ষণপ্রাপ্ত হয়। উষ্মধ্বনি ৩টি: শ, স, হ। তবে পুরাতন ব্যাকরণ বইয়ে ‘ষ’-কেউ উষ্মবর্ণ বলা হয়েছিল।
  • অন্তঃস্থ ধ্বনি: এসব ধ্বনির উচ্চারণ স্থান স্পর্শ ও উষ্মধ্বনির মাঝামাঝি। অন্তঃস্থ ধ্বনি ৪টি: ব, য, র, ল। এর মধ্যে আবার য তালব্য ধ্বনি, র কম্পনজাত ধ্বনি ও ল – কে পার্শ্বিক ধ্বনি বলা হয়।
  • নাসিক্য ধ্বনি: উচ্চারণের সময় নাক বা মুখ বা উভয় দিয়ে বাতাস বের হয়। নাসিক্য ধ্বনি ৫টি: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম। মূলত বর্গের পঞ্চম ধ্বনিগুলোই নাসিক্য ধ্বনি। উল্লেখ্য ‘ ঁ’ পরবর্তী স্বরধ্বনির অনুনাসিকতার দ্যোতনা করে তাই একে অনুনাসিক ধ্বনি বলে।
  • তাড়নজাত ধ্বনি: উচ্চারণের সময় দ্যোতিত ধ্বনি জিহ্বার উল্টো পিঠের দ্বারা দন্তমূলে দ্রুত আঘাত বা তাড়না করে। তড়নজাত ধ্বনি ২টি: ড়, ঢ়
  • অযোগবাহ ধ্বনি: এসব ধ্বনির স্বর ও ব্যঞ্জনের সাথে কোন যোগ নেই। অযোগবহ ধ্বনি ২টি: (ং, ঃ)।
  • খণ্ড ব্যঞ্জণধ্বনি ১টি (ৎ)।
  • নিলীন ধ্বনি ১টি (অ)।
  • পরাশ্রায়ী বর্ণ ৩ টি ( ং, ঃ, ৺ )।

আরও তথ্য –

  • অঘোষ ‘হ’ ধ্বনির বর্ণরূপ ( ঃ)।
  • ‘ং’ এর উচ্চারণ ‘ঙ’ এর মতো।
  • এক প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনি সমষ্টিকে অক্ষর বলে।
  • অক্ষর উচ্চারণের কাল পরিমাণকে মাত্রা বলে।
  • পদের মধ্যে ‘ঃ’ থাকলে ব্যাঞ্জন দ্বিত্ব হয়। যেমন: দুঃখ(দুখ্খ)।

এক নজরে –

বর্ণ

ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ। কোন ভাষায় ব্যবহৃত লিখিত বর্ণসমষ্টিকে সে ভাষার বর্ণমালা বলা হয়। যে বর্ণমালায় বাংলা বর্ণ লিখিত হয় তাকে বলা হয় বঙ্গলিপি। বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি

বর্ণ দুই প্রকার। যথা:-

  • স্বরবর্ণ
  • ব্যঞ্জনবর্ণ

স্বরবর্ণ: স্বরধ্বনি নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত বর্ণ বা স্বরধ্বনির দ্যোতক লিখিত সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় স্বরবর্ণ। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি: হ্রস্ব স্বর ৪টি (অ, ই, উ, ঋ), দীর্ঘ স্বর ৭টি (হ্রস্ব স্বর বাদে বাকিগুলো)।

  • স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হল ‘কার’। কার আছে এমন স্বরবর্ণ ১০টি (শুধুমাত্র “অ” এর সংক্ষিপ্ত রূপ নেই)।
  • মৌলিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ ৭টি: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা।
  • যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ ২টি: ঐ = অ + ই, ঔ = অ + উ। অন্যান্য যৌগিক স্বরের কোন আলাদা বর্ণ নেই।

ব্যঞ্জনবর্ণ: ব্যঞ্জনধ্বনি দ্যোতক লিখিত সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় ব্যঞ্জনবর্ণ।

  • বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি (প্রকৃত ৩৫টি + অপ্রকৃত ৪টি)
  • ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হল ‘ফলা’।
  • ফলা আছে এমন ব্যঞ্জণবর্ণ ৬টি: ম, ন, ব, য, র, ল ।

মাত্রা: বর্ণের উপরে যে রেখা ( ¯ ) বা দাগ দেওয়া থাকে তাই মাত্রা। মাত্রা অনুযায়ী বাংলা বর্ণ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা:

  • পূর্ণমাত্রাযুক্ত বর্ণ: বর্ণের উপর পূর্ণ মাত্রা থাকে।
  • অর্ধমাত্রাযুক্ত বর্ণ: বর্ণের উপর অর্ধেক মাত্রা থাকে।
  • মাত্রাহীন বর্ণ: বর্ণের উপর কোন মাত্রা থাকে না।
মাত্রাস্বরবর্ণব্যঞ্জনবর্ণমোট
মাত্রাহীন৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ)৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)১০টি
অর্ধমাত্রাযুক্ত১টি (ঋ)৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)৮টি
পূর্ণ মাত্রাযুক্ত৬টি (অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ)২৬টি৩২টি
মোট১১টি৩৯টি৫০টি

বাংলাভাষার কিছু ব্যঞ্জনবর্ণের নিজস্ব ধ্বনি নেই। এগুলো হল – ঞ, ণ, ক্ষ, ঢ়, য়, ষ, স, ৎ, ং, ঃ, ঁ।

কার ও ফলা

‘অ’ বাদে বাকি স্বরবর্ণগুলো ও কিছু কিছু ব্যঞ্জনবর্ণ দুটি ভিন্ন রূপে ভাষায় ব্যবহৃত হয়। এরা স্বাধীনভাবে শব্দের মাঝে ব্যবহৃত হয়; আবার অন্য কোন বর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত রূপে বা আশ্রিত রূপেও ব্যবহৃত হয়। যেমন, ‘আ’ বর্ণটি ‘আবার’ শব্দ স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং একইসাথে ‘ব’-র (ব + আ = বা) আশ্রিত হয়ে সংক্ষিপ্ত রূপেও (া ) ব্যবহৃত হয়েছে। ‘আ’-র এই সংক্ষিপ্ত রূপটিকে (া ) আ-কার বলা হয়। অনুরূপভাবে ই-কার(ি) , ঈ-কার(ী) , উ-কার(ু) , ঊ-কার(ূ) ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।

বাংলা বর্ণমালায় ফলা ৬ টি। যথা: ণ/ন-ফলা, য-ফলা , ব-ফলা, ম-ফলা, র-ফলা ও ল-ফলা। যেমন: ‘চিহ্ন’ শব্দে ‘ন’ ফলা ব্যবহৃত হয়েছে। অনুরূপভাবে বিশ্বাস, তন্ময়, অত্যন্ত, গ্রহ, উল্লাস শব্দগুলোতে যথাক্রমে ব-ফলা, ম-ফলা, য-ফলা, র-ফলা ও ল-ফলা ব্যবহৃত হয়েছে।

যুক্তবর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণগুরো নিম্নরূপ –

ক্র = ক্ + রক্ষ = ক্ + ষঙ্গ = ঙ্ + গজ্ঞ = জ্ +ঞ
ঞ্চ = ঞ্ + জত্র = ত্ + রত্থ = ত্ + থশ্রু = শ্ + র্ + উ
শ্রূ = শ্ + র্ + ঊষ্ণ = ষ্ + ণহৃ = হ্ + ঋহ্ন = হ্ + ন
হ্ম = হ্ + ম


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আমাদের কোর্সসমূহ:

যে কোর্সটি কিনতে চান তা সম্পর্কে জানতে কোর্সটিকে ক্লিক করুন:


Constitution

সংবিধান

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Geometry

জ্যামিতি

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Liberation war

মুক্তিযুদ্ধ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Jane

ইংরেজি ব্যাকরণ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Mike

ভুগোল

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

John

ইতিহাস

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Jane

পৌরনীতি ও সুশাসন

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Mike

জ্যামিতি

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

John

মুক্তিযুদ্ধ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Jane

ইংরেজি ব্যাকরণ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Mike

ভুগোল

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

John

ইতিহাস

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

page visited: web counter