ব্রেকিং নিউজ:

বিসিএস সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে। সংবিধান বিষয়ে প্রস্তুতিকে মজবুত করতে শীঘ্রই কোর্স চালু হতে যাচ্ছে। বিসিএস সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে। সংবিধান বিষয়ে প্রস্তুতিকে মজবুত করতে শীঘ্রই কোর্স চালু হতে যাচ্ছে।

নোটিশ

বিজ্ঞপ্তি

বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিকে আরো সহজতর করে তুলতে বিসিএস জানালা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কোর্স ডেভোলপ করে যাচ্ছে। আশাকরি আমাদের পরিশ্রম শিক্ষার্থীদের প্...

২৬.২.২২

যুগ সন্ধিক্ষণ /অবক্ষয় যুগ (১৭৬০-১৮৬০ খ্রি.)

বিষয়বস্তু:

✔ যুগসন্ধিক্ষণ
✔ যুগসন্ধিক্ষণের শ্রেণিবিভাগ
✔ কবিগান
✔ পুঁথিসাহিত্য
✔পুঁথি সাহিত্যের কবি
✔ টপ্পাগান
✔ পাঁচালি গান
✔ শাক্ত পদাবলি বা শ্যামাসঙ্গীত

মধ্যযুগের পরিধি ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত  বলে বিবেচনা করা হলেও   প্রকৃতপক্ষে১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে এই যুগের সর্বশেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের তিরোধানের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা কাব্যের ইতিহাসে মধ্যবুগের অবসান ঘটে । ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে ভারতচন্দ্রের মৃত্যুর পর  থেকে ১৮৬০ সালে আধুনিকতার যথার্থ বিকাশের পূর্ব পর্যন্ত এই “একশ' বছর বাংলা কাব্যের ক্ষেত্রে উৎকর্ষপূর্ণ কোনো নিদর্শন বিদ্যমান নেই |

যুগসন্ধিক্ষণঃ এ যুগের অন্যনাম অবক্ষয় যুগ।  সৈয়দ আলী আহসান এ সময়কে প্রায় শূন্যতার যুগ বলে উল্লেখ করেন। (১৭৬০-১৮৬০ খ্রি.) যুগসন্ধিক্ষণ মানে দুই যুগের মিলন যুগ সন্ধিক্ষণ এমন একটি যুগ যে যুগে মধ্য যুগ এবং আধুনিক যুগের মিশ্র বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। যুগসন্ধিক্ষণের কবি ইশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ।ইশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে স্ববিরোধী কবি ও বলা হয়েছে। [স্ববিরোধী বলার কারণঃ প্রথমদিকে তিনি ইংরেজদের শাসনের বিরুদ্ধে লেখলেও শেষের দিকে তার কাব্যে ইংরেজদের শাসনের প্রশংসা করেছেন]

মধ্যযুগের শেষ আর আধুনিক যুগের শুরুর ( আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে ) এই সময়টুকুকে 'অবক্ষয় যুগ” বলা হয়েছে । কারও কারও মতে, এই সময়টা “যুগ সন্ধিক্ষণ' নামে আখ্যায়িত হওয়া উচিত । এ সময়ের একমাত্র প্রতিনিধি হচ্ছেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত

'অবক্ষয় যুগ' তথা যুগসন্ধিক্ষণের ফসল হিসাবে হিন্দুদের মধ্যে কবিগান ও মুসলমানদের মধ্যে পুঁথিসাহিত্যের উদ্ভব ঘটে । হিন্দু সমাজে কবিগানের রচয়িতাদের কবিওয়ালা বলা হতো।

যুগসন্ধিক্ষণের শ্রেণিবিভাগ: 

অবক্ষয় যুগের বাংলা সাহিত্য কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে

১) কবিগান     ২) পুঁথিসাহিত্য

কবিগান

কবিগান দুই পক্ষের বিতর্কের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হতো। দুই দলের মধ্যে প্রতিযোগিতাই এর বেশিষ্ট্য।কবিওয়ালারা ছিলেন নিম্নবর্ণের হিন্দু। কবিওয়ালারা মূলত ছিলেন গায়ক, তারা অর্থের বিনিময়ে জনমনোরঞ্জন করতেন। কবিওয়ালাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন 

গোঁজলা গুঁই, ভবানী বেনে, ভোলা ময়রা, হরু ঠাকুর, কেষ্টা মুচি, এন্টনি ফিরিঙ্গি,
রামবসু, রাসু-নৃসিংহ, নিতাই বৈরাগী, শ্রীধর কথক, নীলমণি পাটনী, বলরাম বৈষ্ণব, রামসুন্দর স্যাকরা প্রমুখ ।

 'গোঁজলা গুঁই' ছিলেন কবিগানের আদি গুরু ।

১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কবিগান সংগ্রহ করা শুরু করেন । সংগ্রহীত গানগুলো তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় প্রকাশ করেন।

পুঁথিসাহিত্য

অষ্টাদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে রচিত 'আরবি-ফারসি' শব্দ মিশ্রিত ইসলামি চেতনাসম্পৃক্ত সাহিত্যকে পুঁথিসাহিত্য বলা হয়। কেউ কেউ এই শ্রেণির কাব্যকে “আরবি-ফারসি' শব্দের প্রাচূর্যপূর্ণ ব্যবহারের জন্য দোভাষী পুঁথি' নামে অভিহিত করেছেন। কিন্তু এতে মাত্র দুটি ভাষার শব্দ নয় বরং করেকটি ভাষার শব্দ (বাংলা-হিন্দি-আরবি-ফারসি-তুর্কি) ব্যবহার করা হয়েছে। কলকাতার সন্তা ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত হয়ে এই ধারার কাব্য দেশময় প্রচারিত হয়েছিল বলে “বটতলার পুঁথি' নামেও একে চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা চলেছে।

পুঁথি সাহিত্যের কবি:

 ফকির গরীবুল্লাহ : পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি ছিলেন ফকির গরীবুল্লাহ। মিশ্র ভাষারীতিতে তার রচিত কাব্য হচ্ছে : “আমীর হামজা" (প্রথম অংশ), “জঙ্গনামা', ইউসুফ জোলেখা 'সোনাভান', “সত্যপীরের পুথি' ।
কবি কৃষ্ণরাম দাস : “রায়মঙ্গল' তার রচিত বিখ্যাত কাব্যের নাম।
সৈয়দ হামজা : মিশ্র ভাষারীতিতে তার রচিত কাব্যগুলো হচ্ছে : “আমীর হামজা (২য় অংশ),"জৈগুনের পুঁথি" "হাতেম তাই" । তাঁর " মধুমালতী" কাব্যটি পুঁথি সাহিত্যের ধারার অনুসারী নয়, কবি সম্ভবত ফারসি কাব্য থেকে বঙ্গানুবাদ করে এ কাব্যের রূপ দেন।

এছাড়া মালে মুহন্দদ, মুহম্মদ খাতের, আবদুর রহিন নামও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ।


টপ্পাগান
টপ্পা এক ধরনের গান। কবিগানের সমসাময়িককালে কলকাতা ও শহরতলীতে টপ্পাগান নামে রাগ-রাগিনী সংযুক্ত এক ধরনের ওস্তাদি গানের প্রচলন ঘটেছিল । হিন্দি টপ্পাগান এর আদর্শ । বাংলা টপ্পাগানের জনক ছিলেন নিধু বাবু বা রামনিধি গুপ্ত। টপ্পা থেকেই আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার সূত্রপাত বলে অনেকের ধারণা । নিধু বাবুর একটি গান ভাষা বন্দনায় চমকার নিদর্শন-

"নানান দেশের নানান ভাষা।

বিনে স্বদেশীয় ভাষা পুরে কি আশা ।

"বাংলার কাব্য বাংলার ভাষা মিটায় আমার প্রাণের পিপাসা,

সে দেশ আমার নয় গো আপন,

যে দেশ বাংলালি নেই ।


পাঁচালী গান
উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে পাঁচালী গান এদেশে জনপ্রিয় হয়েছিল। পাঁচালী রচয়িতাদের মধ্যে শক্তিশালী কবি ছিলেন দাশরথি রায়। তিনি দাশুরায় নামে  খ্যাত ছিলেন ।

শাক্ত পদাবলি বা শ্যামাসঙ্গীত

শাক্ত পদাবলি হিন্দু দেবী শ্যামা বা শক্তির উদ্দেশ্যে রচিত এক প্রকার ভক্তিগীতি। এর অপর নাম শাক্তগীতি। খ্রিস্টীয় দ্বাদশ-ত্রয়োদশ শতকে বাংলায় বৈষ্ণবধর্মের পাশাপাশি শাক্ত ধর্মের উদ্ভব ঘটে এবং তাকে কেন্দ্র করেই শাক্তগীতি চর্চার একটি ক্ষীণ ধারা প্রচলিত হয় । আঠারো শতকের মধ্যভাগে সাধক কবি রামপ্রসাদ সেন (আনুমানিক ১৭২০-১৭৮১) এতে জপ্রণ সঞ্চার করে বাংলা গানের জগতে" শাক্ত পদাবলি" বা শ্যামাসঙ্গীত" নামে একটি বিশেষ সঙ্গীতধারা প্রতিষ্ঠিত করেন। এ পদাবলির প্রধান রস বাৎসল্য যা ১২ টি পর্যায়ে এবং দুটি ধারায় বিভক্ত। রাম প্রসাদ সেন এ ধারার শ্রেষ্ঠ কবি। নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাকে কবিরঞ্জন উপাধিতে ভূষিত করেন। তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম হলো বিদ্যাসুন্দর , কালীকীর্তন।

তরজা হলো এক প্রকার সাহিত্য।

আমাদের কোর্সসমূহ:

যে কোর্সটি কিনতে চান তা সম্পর্কে জানতে কোর্সটিকে ক্লিক করুন:


Constitution

সংবিধান

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Geometry

জ্যামিতি

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Liberation war

মুক্তিযুদ্ধ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Jane

ইংরেজি ব্যাকরণ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Mike

ভুগোল

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

John

ইতিহাস

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Jane

পৌরনীতি ও সুশাসন

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Mike

জ্যামিতি

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

John

মুক্তিযুদ্ধ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Jane

ইংরেজি ব্যাকরণ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Mike

ভুগোল

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

John

ইতিহাস

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

page visited: web counter