ব্রেকিং নিউজ:

বিসিএস সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে। সংবিধান বিষয়ে প্রস্তুতিকে মজবুত করতে শীঘ্রই কোর্স চালু হতে যাচ্ছে। বিসিএস সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে। সংবিধান বিষয়ে প্রস্তুতিকে মজবুত করতে শীঘ্রই কোর্স চালু হতে যাচ্ছে।

নোটিশ

বিজ্ঞপ্তি

বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিকে আরো সহজতর করে তুলতে বিসিএস জানালা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কোর্স ডেভোলপ করে যাচ্ছে। আশাকরি আমাদের পরিশ্রম শিক্ষার্থীদের প্...

২৭.২.২৩

উপপাদ্য

                               উপপাদ্য

 উপপাদ্য-১ একটি রশ্মির প্রান্ত বিন্দুতে অপর এশটি সরলরেখা মিলিত হলে, যে দুইটি সন্নিহিত কোণ উৎপন্ন হয়, এদের সমষ্টি দুই সমকোণ।


উপপাদ্য-২ দুইটি সন্নিহিত কোণের সমষ্টি দুই সমকোণের সমান হলে, এদের বহিঃস্থ বাহুদ্বয় একই সরলরেখায় অবস্থিত।


উপপাদ্য-৩ দুইটি সরলরেখা পরস্পর ছেদ করলে উৎপন্ন বিপ্রতীপ কোণগুলো পরস্পর সমান।


উপপাদ্য-৪ দুইটি সমান্তরাল সরলরেখাকে অপর একটি সরলরেখা ছেদ করলে 
ক) একান্তর কোণ দুইটি সমান হবে,
খ) অনুরূপ কোণ দুইটি সমান হবে এবং
গ) ছেদকের একই পাশের অন্তঃস্থ কোণ দুইটির সমষ্টি দুই সমকোণ হবে।



উপপাদ্য-৫ দুইটি সরলরেখাকে অপর একটি সরলরেখা ছেদ করলে যদি 
ক) একান্তর কোণগুলো সমান হয়, অথবা
খ) অনুরূপ কোণগুলো সমান হয়, অথবা
গ) ছেদকের একই পাশের অন্তঃস্থ কোণ দুইটির সমষ্টি দুই সমকোণের সমান হয়, তবে ঐ রেখা দুইটি সমান্তরাল হবে।



উপপাদ্য-৬ যে সব রেখা একই সরলরেখার সমান্তরাল তারা পরস্পর সমান্তরাল।

সম্পাদ্য

ঘনবস্তু ( ঘনক, গোলক, মোচক, বেলন)

বিবিধ বহুভুজ ও তাদের বিবিধ কোণ ও বাহু

প্রিজম

 

প্রিজম

যে বহুতলকের ভূমিতল ও উপরিতল দুইটি পরস্পর সমান্তরাল ও সর্বসম বহুভুজ এবং পার্শ্বতলগুলো সামান্তরিক তাকে প্রিজম বলে। প্রিজম হলো সামান্তরিক পার্শ্বতল বিশিষ্ট এক প্রকার বহুতলক।


প্রিজমের প্রকারভেদ

There are several type of prism like

  • নিয়মিত প্রিজম(regular prism)
  • অনিয়মিত প্রিজম(irregular prism)
  • খাড়া প্রিজম(right prism)
  • হেলানো প্রিজম(oblique prism)

নিয়মিত প্রিজম

যে প্রিজমের ভূমিতল একটি সমবাহু বিশিষ্ট বহুভুজ তাকে নিয়মিত প্রিজম বলে। এই প্রিজমই বাস্তব জীবনে আমরা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি।

অনিয়মিত প্রিজম

যে প্রিজমের ভূমিতল একটি বিষমবাহু বিশিষ্ট বহুভুজ তাকে অনিয়মিত প্রিজম বলে।










খাড়া প্রিজম

যে প্রিজমের পার্শ্বতল ও তাদের ধারগুলো ভূমিতলের উপর লম্ব, তাকে খাড়া প্রিজম বলে। ফলে, খাড়া প্রিজমের পার্শ্বতলগুলো সবসময়ই আয়তাকার হয়।

হেলানো প্রিজম

যে প্রিজমের পার্শ্বতল ও তাদের ধারগুলো ভূমিতলের উপর লম্ব হয় না, তাকে হেলানো প্রিজম বলে। ফলে, হেলানো প্রিজমের পার্শ্বতলগুলো সবসময়ই সামান্তরিক হয়।

রম্বস

 



রম্বস

সংজ্ঞাঃ যে চতুর্ভুজের প্রত্যেকটি বাহু সমান এবং বিপরীত কোণদ্বয় সমান তাকে রম্বস বলে।


রম্বসের বৈশিষ্ট্য সমূহ এবং সূত্রাবলীঃ

  1. প্রত্যেকটি বাহু সমান।
  2. বিপরীত কোণদ্বয় সমান।
  3. কর্ণদ্বয় অসমান।
  4. কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমানভাবে সমদ্বিখন্ডিত করে।
  5. রম্বসের ক্ষেত্রফল = ১/২ × (কর্ণদ্বয়ের গুণফল ) বর্গ একক।
  6. রম্বসের পরিসীমা = ( ৪ × এক বাহুর দৈর্ঘ্য ) একক।

সামান্তরিক

 

সামান্তরিক

সংজ্ঞাঃ যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুদ্বয় সমান ও সমান্তরাল এবং বিপরীত কোণদ্বয় সমান তাকে সামান্তরিক বলে।


সামান্তরিকের বৈশিষ্ট্য সমূহ এবং সূত্রাবলীঃ

  1. বিপরীত বাহুদ্বয় সমান।
  2. বিপরীত বাহুদ্বয় সমান্তরাল।
  3. বিপরীত কোণদ্বয় সমান।
  4. কর্ণদ্বয় অসমান।
  5. কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমানভাবে সমদ্বিখন্ডিত করে।
  6. সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ( ভূমি × উচ্চতা ) বর্গ একক।
  7. ( বিকল্প সূত্র )সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ( একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য × ঐ কর্ণের বিপরীত কৌণিক বিন্দু থেকে উক্ত কর্ণের উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্য ) বর্গ একক।
  8. সামান্তরিকের পরিসীমা = ২ ( দৈর্ঘ্য + প্রস্থ ) একক।


বর্গক্ষেত্র

 বর্গক্ষেত্র

সংজ্ঞাঃ যে চতুর্ভুজের প্রত্যেকটি বাহু সমান এবং প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ তাকে বর্গ বলে।


বর্গক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য সমূহ এবং সূত্রাবলীঃ

  1. প্রত্যেকটি বাহু সমান।
  2. প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ।
  3. কর্ণদ্বয় সমান।
  4. কর্ণদ্বয় পরস্পরকে লম্বভাবে বা সমকোণে সমদ্বিখন্ডিত করে।
  5. বর্গের একটি কর্ণ দুইটি সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ উৎপন্ন করে।
  6. বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ( এক বাহুর দৈর্ঘ্য ) বর্গ একক।
  7. বর্গের পরিসীমা = ( ৪ × এক বাহুর দৈর্ঘ্য ) একক।


আয়তক্ষেত্র

 

আয়তক্ষেত্র

সংজ্ঞাঃ যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুদ্বয় সমান ও সমান্তরাল এবং প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ তাকে আয়তক্ষেত্র বলে।

আয়তক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য সমূহ এবং সূত্রাবলীঃ

  1. বিপরীত বাহুদ্বয় সমান।
  2. বিপরীত বাহুদ্বয় সমান্তরাল।
  3. প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ।
  4. কর্ণদ্বয় সমান।
  5. কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখন্ডিত করে।
  6. আয়তক্ষেত্রের একটি কর্ণ দুটি সমকোণী ত্রিভুজ উৎপন্ন করে।
  7. আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ ( দৈর্ঘ্য + প্রস্থ ) একক।
  8. আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ( দৈর্ঘ্য × প্রস্থ ) বর্গ একক।


চতুর্ভুজ

 সংজ্ঞাঃ চার টি বাহু দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্রকে চতুর্ভুজ বলে।

বৈশিষ্ট্য সমূহঃ

  1. মোট উপাত্ত ১০ টি । যথা, ৪টি বাহু, ৪টি কোণ এবং ২ টি কর্ণ ***
  2. চতুর্ভুজের শীর্ষবিন্দু চার টি।
  3. চার কোণের সমষ্টি ৪ সমকোণ / ২ সরলকোণ / ৩৬০ ডিগ্রি।

***কর্ণঃ চতুর্ভুুজের বিপরীত কৌণিক বিন্দুদ্বয়ের সংযোজক রেখাংশকে কর্ণ বলে।

প্রকারভেদঃ

চতুর্ভুজ মোট ৬ প্রকার। যথা,-

  1. আয়তক্ষেত্র।
  2. বর্গক্ষেত্র।
  3. রম্বস।
  4. সামান্তরিক।
  5. ট্রাপিজিয়াম।
  6. ঘুঁড়ি।


ত্রিভূজ ও ত্রিভুজ সংক্রান্ত বিবিধ

 

এই টিউটরিয়ালে শেষে…

  1. ত্রিভুজ কাকে বলে।
  2. ত্রিভুজের প্রকারভেদ।
  3. চিত্রসহ সকল ত্রিভুজের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ।
  4. এবং ত্রিভুজ সম্পর্কিত সকল জ্যামিতিক সত্য বাক্য, ইত্যাদি এই সকল বিষয় জানতে পারবে।

ত্রিভুজ বিভিন্ন অংশের পরিচিতি

ত্রিভুজঃ তিনটি রেখাংশ দ্বারা আবদ্ধ কাঠাকোকে ত্রিভুজ বলে।

বাহুঃ রেখাংশগুলোকে ত্রিভুজের বাহু বলে। ত্রিভুজের বাহু ৩ ধরণের হয়ে থাকে।

যথা-

  • অতিভুজ
  • লম্ব / উন্নতি / উচ্চতা / বিপরীত বাহু।
  • ভূমি / সন্নিহিত বাহু।

অতিভুজঃ সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভুজ বলে।

অথবা, নির্দিষ্ট সূক্ষ্মকোণের সন্নিহিত ( কানেক্টেড ) বৃহত্তম বাহুকে অতিভুজ বলে।

লম্বঃ নির্দিষ্ট সূক্ষ্মকোণের বিপরীত বাহু কে লম্ব / উন্নতি / উচ্চতা / বিপরীত বাহু বলে। ৪টি নামের মধ্যে লম্ব অথবা বিপরীত বাহু-ই অধিক ব্যবহার করা হয়।

ভূমিঃ নির্দিষ্ট সূক্ষ্মকোণের সন্নিহিত ( কানেক্টেড ) ক্ষুদ্রতম বাহুকে ভূমি বলে।

শীর্ষবিন্দুঃ যে কোন দুইটি বাহুর সাধারণ (কমন) বিন্দুকে শীর্ষবিন্দু বলে। ‍যেমন, চিত্রে-A, B ও C এই তিনটি বিন্দু ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু।


মধ্যমাঃ ত্রিভুজের যে কোন শীর্ষবিন্দু ও তার বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোগকারী রেখাকে মধ্যমা বলে। যেমন, চিত্রে- A শীর্ষবিন্দুর বিপরীত BC বাহুর মধ্যবিন্দু F হওয়ায়, AF রেখা একটি মধ্যমা। অনুরূপভাবে BD এবং CE একটি মধ্যমা।

ভরকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় যে বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে ভরকেন্দ্র বলে। যেমন, চিত্রে -> AF, BD ও CE মধ্যমাত্রয় O বিন্দুতে মিলিত হওয়ায়, O এই ত্রিভুজের একটি ভরকেন্দ্র।

পরিসীমাঃ ত্রিভুজের বাহু তিনটির দৈর্ঘ্যের সমষ্টিকে পরিসীমা বলে। যেমন, চিত্রে- ABC ত্রিভুজের পরিসীমা = (AB+BC+CA ) একক।

ত্রিভুজ বাহুভেদে ৩ প্রকার।

যথা-

  1. সমবাহু ত্রিভুজ।
  2. সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
  3. বিষমবাহু ত্রিভুজ।

কোণভেদে ত্রিভুজ ৩ প্রকার।

যথা-

  1. সমকোণী ত্রিভুজ।
  2. সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ।
  3. স্থুলকোণী ত্রিভুজ।
  1. সমবাহু ত্রিভুজ।
  • প্রত্যেকটি বাহু সমান।
  • প্রত্যেকটি কোণ সমান / সূক্ষ্মকোণ / ৬০ ডিগ্রি।

  • ২। সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
  • ২টি বাহু সমান এবং ১টি বাহু অসমান।
  • ২টি কোণ সমান এবং ১টি কোণ অসমান।
  1. সমকোণী ত্রিভুজ।
  2. সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ।
  3. স্থুলকোণী ত্রিভুজ।
  1. বিষমবাহু ত্রিভুজ।
  • প্রত্যেকটি বাহু অসমান।
  • প্রত্যেকটি কোণ অসমান।
  1. সমকোণী ত্রিভুজ।
  • ১টি কোণ ১ সমকোণ এবং অপর ২টি কোণ সূক্ষ্মকোণ।
  • সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের যোগফল ১ সমকোণ।
  • অতিভুজ > লম্ব।
  • অতিভুজ > ভূমি।
  • অতিভুজ < ( লম্ব + ভূমি )।
  1. সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ।
  • প্রত্যেকটি কোণই সূক্ষ্মকোণ।

  1. স্থুলকোণী ত্রিভুজ।
  • ১টি কোণ স্থুলকোণ।
  • ২টি কোণ সূক্ষ্মকোণ।

উপরোক্ত ৬টি ত্রিভুজের উপর নির্ভর করে আরও ৭ধরণের ত্রিভুজ তৈরি করা যায়।

যথা-

  1. সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
  2. সমকোণী বিষমবাহু ত্রিভুজ।
  3. সূক্ষ্মকোণী বিষমবাহু ত্রিভুজ।
  4. সূক্ষ্মকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
  5. সূক্ষ্মকোণী সমবাহু ত্রিভুজ।
  6. স্থুলকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
  7. স্থুলকোণী বিষমবাহু ত্রিভুজ।

  1. সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
  • ১টি কোণ সমকোণ এবং অপর ২টি কোণ সূক্ষ্মকোণ।
  • ২টি বাহু সমান এবং অপর ১টি কোণ অসমান।
  • অতিভুজ > লম্ব।
  • অতিভুজ > ভূমি।
  • অতিভুজ < ( লম্ব + ভূমি ) ।

  1. সমকোণী বিষমবাহু ত্রিভুজ।
  • প্রত্যেকটি বাহু অসমান।
  • প্রত্যেকটি কোণ অসমান।
  • ১টি কোণ সমকোণ এবং অপর ২টি কোণ সূক্ষ্মকোণ।
  • অতিভুজ > লম্ব।
  • অতিভুজ > ভূমি।
  • অতিভুজ < ( লম্ব + ভূমি ) ।
  1. সূক্ষ্মকোণী বিষমবাহু ত্রিভুজ।
  • প্রত্যেকটি বাহু অসমান।
  • প্রত্যেকটি কোণ সূক্ষ্মকোণ।
  1. সূক্ষ্মকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
  • প্রত্যেকটি কোণ সূক্ষ্মকোণ।
  • ২টি বাহু সমান এবং ১টি বাহু অসমান।
  • ২টি কোণ সমান এবং ১টি কোণ অসমান।
  1. সূক্ষ্মকোণী সমবাহু ত্রিভুজ।
  • প্রত্যেকটি কোণ সূক্ষ্মকোণ / সমান / ৬০ ডিগ্রি।
  • প্রত্যেকটি বাহু সমান।
  1. স্থুলকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
  • ২টি বাহু সমান এবং ১টি বাহু অসমান।
  • ২টি কোণ সূক্ষ্মকোণ এবং ১টি কোণ স্থুলকোণ।
  1. স্থুলকোণী বিষমবাহু ত্রিভুজ।
  • প্রত্যেকটি বাহু অসমান।
  • প্রত্যেকটি কোণ অসমান।
  • ২টি কোণ সূক্ষ্মকোণ এবং ১টি কোণ স্থুলকোণ।

ত্রিভুজের জ্যামিতিক সত্য বাক্য সমূহ

  • ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ।
  • ত্রিভুজের যে কোন এক বাহুকে বর্ধিত করলে যে, বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় তা অন্তঃস্থ বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টির সমান।
  • ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর বিপরীত কোণ গুলো সমান হয়।
  • যে কোন ধরনের ত্রিভুজের যে কোন শীর্ষবিন্দু হতে বিপরীত বাহুর লম্ব দুরত্বই ত্রিভুজের উচ্চতা।
  • ত্রিভুজের যে কোন দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বৃহত্তম।
  • কোন ত্রিভুজের প্রত্যেক বাহু উভয় দিকে বর্ধিত করলে যে ছয়টি কোণ উৎপন্ন হয় তাদের সমষ্টি ৭২০ ডিগ্রি বা ৮ সমকোণ।
  • ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় ২:১ অনুপাতে বিভক্ত হয়।
  • কোন ত্রিভুজের মধ্যমা তিনটির সমষ্টি তার পরিসীমা অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর হয়।

উপরোক্ত যে কোন তথ্য নিয়ে যে কোন ধরণের প্রশ্ন মনের মধ্যে উকি দিলে নির্ধিদায় কমেন্ট বক্সে জানাতে পারো। আর হ্যাঁ, তোমার যদি আর্টিকেল টি পড়ে ভালো লাগে বা উপকার হয়ে থাকে তাহলে তোমার Facebook Profile -এ শেয়ার করতে ভুলো না, তাহলে আমি অনেক খুশি হবো।

collected from: https://www.easymathbd.com/%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%9c/


সামতলিক ক্ষেত্র , সামতলিক চিত্র ও এর শ্রেণিবিভাগ

 সামতলিক চিত্র কাকে বলে?

একই সমতলে অবস্থিত এক বা একাধিক বক্র বা সরলরেখা দিয়ে সীমাবদ্ধ চিত্রকে সামতলিক চিত্র বলে।

যেমন: ত্রিভুজ, চর্তুভুজ, বৃত্ত ইত্যাদি।

সামতলিক ক্ষেত্র কাকে বলে?

এক বা একাধিক বক্র বা সরলরেখা দিয়ে সীমাবদ্ধ  সমতলের অংশকে  সামতলিক ক্ষেত্র বলে।

যেমন: ত্রিভুজ, চর্তুভুজ, বৃত্ত ইত্যাদি।


পরিসীমা কাকে বলে?

সামতলিক চিত্রগুলো যে সীমারেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ সেই সীমারেখাগুলির দৈর্ঘ্যর সমষ্টিকে বলা হয় পরিসীমা।


ক্ষেত্রফল কাকে বলে?

সামতলিক চিত্রগুলো দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রের পরিমাণকে সামতলিক ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বলে।


সামতলিক চিত্রের বৈশিষ্ট্য:

১। সামতলিক চিত্র এক বা একাধিক রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ।

২। এগুলো দ্বিমাত্রিক।

৩। প্রতিটি সামতলিক চিত্রের পরিসীমা ও ক্ষেত্রফল থাকে।

৪। যেহেতু সামতলিক চিত্রগুলো দ্বিমাত্রিক সেহেতু এদের কোনো আয়তন নেই।



সামতলিক চিত্রের প্রকারভেদ:

সামতলিক চিত্র দুই প্রকার । যথা: 

১। সরলরৈখিক বা ঋজুরেখ চিত্র।(Rectilinear Figure)

২। বক্ররৈখিক চিত্র (Curvilinear Figure)

 সরলরৈখিক বা ঋজুরেখ চিত্র:

তিন বা ততোধিক সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ সামতলিক চিত্রকে সরলরৈখিক বা ঋজুরেখ চিত্র বলে।

যেমন: ত্রিভুজ, চতুর্ভূজ, পঞ্চভূজ ইত্যাদি

বক্ররৈখিক চিত্র:

এক বা একাধিক বক্ররেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ সামতলিক চিত্রকে বক্ররৈখিক চিত্র বলে।

যেমন:

বৃত্ত, উপবৃত্ত ইত্যাদি।


মনে রেখো:

 কোনো সরলরৈখিক চিত্র যে যে রেখাংশ দ্বারা সীমাবদ্ধ হয়, সেই রেখাংশগুলিকে ওই সরলরৈখিক চিত্রের বাহু বা ভুজ বলে এবং চিত্রগুলোকে বহুভুজ বলে।


এই বাহু বা ভুজের সংখ্যা অনুযায়ী সরল রৈখিক চিত্রগুলোর নামকরণ করা হয়। যেমন:

ত্রিভুজ: ৩ টি বাহু, চতুর্ভূজ: ৪ টি বাহু, পঞ্চভুজ: ৫ টি বাহু।


বহুভুজের অন্ত:কোণের সমষ্টি:

ক সংখ্যক বাহুবিশিষ্ট বহুভূজের অন্ত:কোণগুলোর সমষ্টি = ২(ক-২)৯০ ডিগ্রী।

যেমন:

বাহুর সংখ্যা ৩ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রী।

বাহুর সংখ্যা ৪ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ৩৬০ ডিগ্রী।

বাহুর সংখ্যা ৫ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ৫৪০ডিগ্রী।

বাহুর সংখ্যা ৬ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ৭২০ডিগ্রী।

বাহুর সংখ্যা ৭ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ৯০০ডিগ্রী।

বাহুর সংখ্যা ৮ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ১০৮০ডিগ্রী।

বাহুর সংখ্যা ৯ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ১২৬০ডিগ্রী।

বাহুর সংখ্যা ১০ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ১৪৪০ডিগ্রী।

বহুভুজের বহি:কোণের সমষ্টি:

যেকোনো বহুভুজের বহি:কোণের সমষ্টি হল ৩৬০ ডিগ্রী।

যে কোনো বহুভুজের একটি অন্ত:কোণের অনুরুপ বহি:কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রী।



কোণ বিষয়ক ধারণা

 কোণ: একই সমতলে দুইটি রশ্মি একটি বিন্দুতে মিলিত হলে কোণ তৈরি হয়। রশ্মি দুইটি কে কোণের বাহু এবং  তাদের সাধারণ বিন্দুকে শীর্ষবিন্দু বলে।

১। শূন্যকোণঃ যে কোণের মান শূন্য তাকে শূন্যকোণ বলে। তবে সত্যিকার অর্থে চিত্রের মাধ্যমে শূন্য কোণ কে একটি রেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

২। সূক্মকোণঃ যে কোণের মান শূন্য ডিগ্রি অপেক্ষা বড় কিন্তু ৯০ ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট তাকে সূক্মকোণ বলে।

৩। সমকোণঃ দুটি সরলরেখা পরস্পর ছেদ করলে যদি উৎপন্ন কোণ চারটি পরস্পর সমান হয়, তবে প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। ডিগ্রি পদ্ধতিতে সমকোণকে ৯০ডিগ্রি ধরা হয়। অর্থাৎ, সমকোণের সংজ্ঞায় ৯০ডিগ্রি বলাটা ভুল।

তবে, হ্যাঁ। নিম্নোক্ত ভাবে বললেও চলে। এতে মহাভারত অশুদ্ধ হবে না।

যে কোণের মান ৯০ ‍ডিগ্রি তাকে সমকোণ বলে।

৪। স্থুলকোণঃ যে কোণের মান ৯০ ডিগ্রি অপেক্ষা বড় কিন্তু ১৮০ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট,তাকে স্থুলকোণ বলে। অর্থাৎ যে কোণ এক সমকোণের চেয়ে বড় কিন্তু এক সরলকোণের চেয়ে ছোট।

৫। সরলকোণঃ পরস্পর বিপরীত দুটি রশ্মির মধ্যবর্তী কোণকে বলা হয় এক সরলকোণ।অর্থাৎ যে কোণের মান ১৮০ডিগ্রি তাকে সরলকোণ বলে।২সমকোণ=১৮০ডিগ্রি=১সরলকোণ

৬। প্রবৃদ্ধকোণঃ যে কোণের মান ২সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু ৪সমকোণ অপেক্ষা ছোট তাকে প্রবৃদ্ধকোণ বলে।

৭। পূর্ণকোণঃ কোণের মান ৩৬০ডিগ্রি বা ৪ সমকোণ তাকে পূর্ণকোণ বলে। পূর্ণকোণও শূন্যকোণের মত পাঠ্যবইয়ের পড়াশোনা কম ব্যবহার হয়।অর্থাৎ এক পূর্ণকোণের মান ৩৬০ডিগ্রি।

৮। সন্নিহিত কোণঃ একই সমতলে অবস্থিত একই শীর্ষবিন্দুবিশিষ্ট দুইটি কোণের যদি একটি সাধারণ বাহু থাকে এবং কোণ দুইটি সাধারণ বাহুর বিপরীত পার্শ্বে অবস্থিত হয় তাহলে কোণদ্বয়কে পরস্পরের  সন্নিহিত কোণ বলে।

৯। পূরককোণ বা পরিপূরককোণঃ দুইটি কোণের সমষ্টি ৯০ ডিগ্রি হলে তাদের একটিকে অপরটির পূরক কোণ বলে। একটি কোণ ৬০ ডিগ্রি হলে তার পূরককোণ ৩০ ডিগ্রি হয়।

১০। সম্পূরককোণ বা রৈখিক যুগলকোণঃ দুইটি কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি হলে তাদের একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে। যেমন; একটি কোণ ১৬০ ডিগ্রি হলে তার সম্পূরককোণ ২০ ডিগ্রি হয়।

বিঃদ্রঃ সন্নিহিতকোণ, পূরক কোণ/পরিপূরক কোণ, সম্পূরককোণ বা রৈখিক যুগলকোণ এই ৩টি কোণের সম্পর্ক নিয়ে ভিডিও তে আমি বিস্তারিত কয়েকটা উদাহরণ ‍দিয়ে এবং একটা কোণের সাথে আরেক টা কোণের তুলনা করে সুন্দর করে ব্যাখ্যা করতে পেরেছি ভিডিও তে। কিন্তু এখানে তা লেখার মাধ্যমে বলতে গেলে তোমার কাছে কঠিন বা গোলাটে লাগতে পারে বিধায় এডিয়ে গেলাম।

১১। অনুরূপ কোণঃ দুটি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদকরেখার দিকে সমান্তরাল রেখার পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে অনূরুপ কোণ বলে।

***অনুরূপকোণ গুলো পরস্পর সমান হয়।

১২। একান্তর কোণঃ দু’টি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীত পাশে সমান্তরাল রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে সেগুলোকে একান্তর কোণ বলে।

***একান্তরকোণ গুলো পরস্পর সমান হয়।

১৩।বিপ্রতীপ কোণঃ দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয় এদের যেকোণ একটিকে তার বিপরীত কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে।

***বিপ্রতীপকোণ গুলো পরস্পর সমান হয়।

১৪। অর্ধবৃত্তস্থ কোণঃ ব্যাসের দুই প্রান্ত থেকে দুইটি সরলরেখা এসে বৃত্তচাপের উপর যে কোনো স্থানে এসে মিলিত হলে ওই মিলিত স্থানে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা অর্ধবৃত্তস্থ কোণ। চিত্রে: একটি অর্ধবৃত্তস্থ কোণ ১সমকোণ হওয়ায় <ABC=৯০ডিগ্রি।

***অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সবসময় এক সমকোণই হবে।

১৫। বৃত্তস্থকোণ বা বৃত্তে পরিধিস্থকোণ বা বৃত্তে অন্তরলিখিত কোণঃ একটি কোণের শীর্ষবিন্দু কোনো বৃত্তের একটি বিন্দু হলে এবং কোনটির প্রত্যেক বাহুতে শীর্ষবিন্দু ছাড়াও বৃত্তের একটি বিন্দু থাকলে কোণটি কে একটি বৃত্তস্থকোণ বা বৃত্তে অন্তরলিখিত কোণ বলা হয় ।


১৬। কেন্দ্রস্থকোণঃ কোন বৃত্তচাপের প্রান্তদ্বয় হতে সৃষ্ট দুটি সরলরেখা বৃত্তের কেন্দ্র মিলিত হলে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে কেন্দ্রস্থ কোণ বলে।

১৭। যৌগিক কোণঃ দুই বা ততোধিক কোণের সমষ্টিকে যৌগিক কোণ বলে। অর্থাৎ কয়েকটি কোণ মিলে গিয়ে অথবা যুক্ত হয়ে যৌগিক কোণ গঠন করে।

১৮। অন্তঃস্থকোণঃ ত্রিভুজ,চতুর্ভুজ ও বহুভুজের অভ্যন্তরে যে কোনো দুই বাহুর সাপেক্ষে যে কোণের উৎপত্তি ঘটে তাকে অন্তঃস্থকোণ বলে।

১৯। বহিঃস্থ কোণঃ ত্রিভুজ,চতুর্ভুজ ও বহুভুজের বাহিরে বহিঃস্থ বাহুর সাপেক্ষে যে কোণের উৎপত্তি ঘটে, ঐ সকল কোণ কে বহিঃস্থকোণ বলে। চিত্রে: <ABD একটি বহিঃস্থকোণ।

২০। তীর্যককোণঃ যে কোণের পরিমাণ 90° নয় বা 90° এর কোন গুণিতক নয় তাকে তীর্যককোণ বলে। অর্থাৎ যে কোণের মান সমকোণের কোনো গুণিতক নয় তাকে তীর্যককোণ বলে।

২১। রেডিয়ানকোণঃ কোনো বৃত্তের ব্যাসার্ধের সমান চাপ বৃত্তের কেন্দ্রে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে রেডিয়ান কোণ বলে। রেডিয়ান কোণ কে যেকোনো সংখ্যার ডান পাশে উপরের কর্ণারে c বসে। ১রেডিয়ান=৫৭.২৯৫৭৮ডিগ্রি ।

(5)c =৫ রেডিয়ান

যেহেতু এই কোণটি ব্যাসার্ধের উপর নির্ভর করেই উৎপন্ন হয়ে, তাই তাকে ব্যাসার্ধের ইংরেজি প্রতিশব্দ radius এর সাথে মিল রেখে রেডিয়ান কোণ নামে অভিহিত করা হয়।

আর ঠিক এই কারণেই, ব্যাাসার্ধ সব সময়  ”r”  দ্বারা চিহ্নিত করে থাকি। এই কথার মাধ্যমে তাহলে আমরা আমাদের আরও একটি প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলাম। সেটি হচ্ছেঃ

ব্যাসার্ধ কে সব সময় কেন “r” দ্বারা প্রকাশ করা হয়  ?

২২। ধনাত্মক কোণঃ কোনো রশ্মিকে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরালে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে ধনাত্মক কোণ বলে।

২৩। ঋণাত্মককোণঃ কোনো রশ্মিকে ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরালে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে ঋণাত্মক কোণ বলে।

২৪। অবনতিকোণঃ ভুতলের নিচের কোন বিন্দু ভুমির সমান্তরাল রেখার সাথে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে অবনতি কোণ বলে।

২৫। উন্নতিকোণঃ ভুতলের উপরের কোন বিন্দু ভুমির সমান্তরাল রেখার সাথে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে উন্নতি কোণ বলে।


প্রাথমিক ধারণা: বিন্দু, রশ্নি, রেখা, রেখাংশ, তল, মাত্রা

 

ইউক্লিডীয় জ্যামিতিতে বিন্দু

জ্যামিতির যেসব মৌলিক উপাদানগুলো ইউক্লিডীয় জ্যামিতির ভিত্তি, বিন্দু তাদের মধ্যে অন্যতম। ইউক্লিড নিজেই বিন্দুকে একভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। তাঁর মতে, ”যার কোনো অংশ নেই, তাই বিন্দু”। দ্বিমাত্রিক ইউক্লিডীয় সমতলে, একটি বিন্দুকে সংখ্যার একটি ক্রমজোড় (x, y) হিসাবে উপস্থাপন করা হয় এবং (x, y) লিখে বুঝানো হয়, যেখানে ক্রমজোড়ের প্রথম সংখ্যা দ্বারা সচরাচর অনুভূমিক বরাবর দুরত্ব প্রকাশ করা হয় এবং x লিখে বুঝানো হয়; এবং ক্রমজোড়ের দ্বিতীয় সংখ্যা দ্বারা সচরাচর উলম্ব বরাবর দুরত্ব প্রকাশ করা হয় এবং y লিখে বুঝানো হয়। দ্বিমাত্রিক ইউক্লিডীয় সমতলের এই ধারণাটিকে খুব সহজেই ত্রিমাত্রিক ইউক্লিডীয় জগত -এ সাধারণীকরণ করা যায়। ত্রিমাত্রিক ইউক্লিডীয় জগতে, একটি বিন্দুকে সংখ্যার একটি ক্রমত্রয়ী (x, y, z) হিসাবে উপস্থাপন করা হয় এবং (x, y, z) লিখে বুঝানো হয়, যেখানে ক্রমত্রয়ীর প্রথম সংখ্যা দ্বারা সচরাচর দৈর্ঘ্য বরাবর দুরত্ব প্রকাশ করা হয় এবং x লিখে বুঝানো হয়; ক্রমত্রয়ীর দ্বিতীয় সংখ্যা দ্বারা সচরাচর প্রস্থ বরাবর দুরত্ব প্রকাশ করা হয় এবং y লিখে বুঝানো হয়; এবং ক্রমত্রয়ীর তৃতীয় সংখ্যা দ্বারা সচরাচর বেধ বা উচ্চতা বরাবর দুরত্ব প্রকাশ করা হয় এবং z লিখে বুঝানো হয়। দ্বিমাত্রিক ইউক্লিডীয় সমতলের ধারণা এবং ত্রিমাত্রিক ইউক্লিডীয় জগতের এই ধারণাগুলোকে চুড়ান্তভাবে অতি সহজেই সসীম সংখ্যক মাত্রার জগত (finite dimensional space)-এ সাধারণীকরণ করা যায়। সসীম সংখ্যক মাত্রার জগতে একটি বিন্দুকে (x1, x2, x3, ... , xn) হিসাবে উপস্থাপন করা হয় এবং (x1, x2, x3, ... , xn) লিখে বুঝানো হয়। আর n হলো সসীম মাত্রা জগতের (finite dimensional space) মাত্রা যে জগতে বিন্দুটি অবস্থিত।

ইউক্লিডীয় জ্যামিতির অনেক গাঠনিক উপাদানই রয়েছে যেগুলো অসংখ্য বিন্দুর সমন্বয়ে গঠিত এবং এগুলোকে বিন্দুসমূহের সেট রূপে প্রকাশ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একটি রেখা হলো অসংখ্য বিন্দুর সেট; যে সেটকে গঠন পদ্ধতিতে লিখলে দাঁড়ায়,

{L = (x1, x2, x3, ... , xn) : c1x1 + c2x2 + c3x3 + ... , + cnxn = d}

যেখানে c1, c2, c3, ... , cn এবং d ধ্রুবক এবং n হলো জগতের মাত্রা (dimension)। এ ধরণের আরও কিছু জ্যামিতিক গঠন রয়েছে যেগুলো সমতল, রেখাংশ এবং এ সংক্রান্ত অন্যান্য ধারণাগুলোকে সংজ্ঞায়িত করে। বিন্দুকে সংজ্ঞায়িত করা এবং বিন্দু সংশ্লিষ্ট জ্যামিতিক গঠনগুলোর বর্ণনার পাশাপাশি, ইউক্লিড বিন্দু সংক্রান্ত আরও একটি ধারণা স্বীকার করেন যা ইউক্লিড স্বীকার্য বলে পরিচিত। তিনি স্বীকার করেন যে, একটি বিন্দু থেকে অন্য একটি বিন্দু পর্যন্ত একটি সরলরেখা আঁকা যায়। যাহোক ইউক্লিডের বিন্দু সংক্রান্ত এই স্বীকার্য কিছুটা অসম্পূর্ণ ও অনির্দিষ্ট। কারণ - দুইটি ভিন্ন বিন্দু দিয়ে যে কেবল একটি অনন্য সরলরেখা আঁকা যায় - তাঁর স্বীকার্যে এ বিষয়টি উপেক্ষিত হয়েছে।


বিন্দুর মাত্রা

জ্যামিতিতে বিন্দুর কেবল অবস্থান আছে। অবস্থান ছাড়া এর আর কোন কিছুই নেই অর্থাৎ বিন্দুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং বেধ বা উচ্চতা বলতে কিছুই নেই। আবার এর কোনো পরিসীমা বা পরিধি, ক্ষেত্রফল বা আয়তন তাও নেই। অর্থাৎ বিন্দুর কোনো মাত্রা নেই। তাই বিন্দুর মাত্রা শুণ্য। সুতরাং, বিন্দু শুণ্য-মাত্রিক জ্যামিতির অন্তর্গত।

একটি সমতলে অবস্থিত দুইটি ভিন্ন বিন্দু স্কেল দ্বারা পরস্পর যোগ করলে একটি সরলরেখা পাওয়া যায়।

বিন্দুর বৈশিষ্ট্য

বিন্দু বিশ্লেষণ করলে কতকগুলো বিন্দু বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। নিচে কিছু বিন্দুর বৈশিষ্ট্য সমূহ উল্লেখ করা হলোঃ

  • বিন্দু হলো জ্যামিতির মৌলিক উপাদান।
  • বিন্দুর কেবল অবস্থান আছে।
  • বিন্দুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা বা বেধ বলতে কিছুই নেই।
  • বিন্দুর একটি বৈশিষ্ট্য হলো বিন্দুর কোনো মাত্রা নেই অর্থাৎ, বিন্দুর মাত্রা শুণ্য।
  • দ্বি-মাত্রিক জ্যামিতি বা সমতল জ্যামিতি এবং ত্রি-মাত্রিক জ্যামিতি বা ঘন জ্যামিতি - উভয় জ্যামিতিতে বিন্দুর অবস্থান আছে।
  • দ্বি-মাত্রিক জ্যামিতিতে বিন্দুর স্থানাঙ্ককে (x,y) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
  • ত্রি-মাত্রিক জ্যামিতিতে বিন্দুর স্থানাঙ্ককে (x,y,z) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
  • বিন্দুর চলার পথ হলো রেখা
  • বিন্দুর চলার পথ সোজা হলে সরলরেখা হয়।
  • বিন্দুর চলার পথ বাঁকা হলে বক্ররেখা হয়।

জ্যামিতিক প্রতীক চিহ্নসমূহ

জ্যামিতিক পারিভাষিক শব্দ

কতিপয় জ্যামিতিক পারিভাষিক শব্দ
Acute Angleসুক্ষ্মকোণ
Acute Triangleসুক্ষ্মকোণী ত্রিভূজ
Adjacent Angleসন্নিহিত কোণ
Altitude (Height)উচ্চতা
Angleকোণ
Areaক্ষেত্রফল
Arcচাপ
Axiomস্বত:সিদ্ধ
Axisঅক্ষ
Baseভূমি
Bisectদ্বিখন্ডিত করা
Bisectorদ্বিখন্ডক
Central Angleকেন্দ্রস্থ কোণ
Chordজ্যা
Circleবৃত্ত
Circumferenceবৃত্তের পরিধি
Complementaryপূরক
Congruentসর্বসম
Convexউত্তল
Concaveঅবতল
Cubeঘন
Coneকোণ
Curveবক্ররেখা
Cylinderসিলিন্ডার
Coordinateস্থানাঙ্ক
Corresponding Angleঅনুরুপ কোণ
Diagonalকর্ণ
Diameterব্যাস
Decagonদশভূজ
Distanceদুরত্ব
Edgeধার/ কিনারা
Equilateral Triangleসমবাহু ত্রিভূজ
Exterior Angleবহি:স্থ কোণ
Ellipticalউপবৃত্তাকার
Faceতল
Geometryজ্যামিতি
Hexagonষড়ভূজ
Hypothesisঅনুমিত, অনুমান বা ধারণা
Interior Angleঅন্ত:স্থ কোণ
Inscribedপরিধিস্থ বা বৃত্তস্থ
Isosceles Triangleসমদ্বিবাহু ত্রিভূজ
Intersectionছেদ
Inverseউল্টা
Lineরেখা
Legবাহু
Lengthদৈর্ঘ্য
Medianমধ্যমা
Minor Arcউপচাপ
Major Arcঅধিচাপ
Midpointমধ্যবিন্দু
Measureপরিমাপ
Obtuse Angleস্থূলকোণ
Octagonঅষ্টভূজ
Parallelসমান্তরাল
Parallelogramসামান্তরিক
Pentagonপঞ্চভূজ
Perpendicularলম্ব
Polygonবহুভূজ
Perimeterপরিসীমা
Postulatesস্বত:সিদ্ধ
Pointবিন্দু
Planeসমতল
Proportionসমানুপাত
Quadrantsচতুর্ভাগ
Quadrilateralচতুর্ভূজ
Radiusব্যাসার্ধ
Rectangleআয়তক্ষেত্র
Right Angleসমকোণ
Right Triangleসমকোণী ত্রিভূজ
Regular Polygonসুষম বহুভূজ
Ratioঅনুপাত
Reflex Angleপ্রবৃদ্ধ কোণ
Rhombusরম্বস
Sideবাহু
Supplementaryসম্পূরক
Scaleneবিষমবাহু ত্রিভূজ
Semi- Cricleঅর্ধবৃ্ত্ত
Segmentখন্ডিত অংশ
Straight Angleসরলকোণ
Similar Triangleসদৃশ ত্রিভূজ
Squareবর্গক্ষেত্র
Sectorবৃত্তকলা
Solidঘনবস্তু
Slopeঢাল
Sphereগোলক
Triangleত্রিভূজ
Theoremউপপাদ্য
Tangentস্পর্শক/ তীর্যক
Transversalছেদক
Trapezoidট্রাপিজিয়াম
Volumeআয়তন
Vertexশীর্ষবিন্দু
Widthপ্রস্থ

জ্যামিতির ইতিহাস

 

জ্যামিতির অর্থ

জ্যামিতি = জ্যা + মিতি
জ্যা অর্থে পৃথিবী বা ভূমি। আর মিতি অর্থে পরিমাপ। সুতরাং জ্যামিতি‌ অর্থে ভূ-পরিমাপ বা ক্ষেত্র পরিমাপ বোঝায়।

জ্যামিতির উৎপত্তি

পৃথিবীর কোন দেশে কখন এবং কীভাবে জ্যামিতি শাস্ত্রের সৃষ্টি তা সঠিকভাবে নির্ণয় করা খুবই দুঃসাধ্য ব্যাপার। ইউরোপে নবজাগরণের পর যখন আধুনিক বিজ্ঞানের সূত্রপাত হয় তখন থেকেই সমস্ত বিষয়কে বিজ্ঞানসম্মতভাবে উপস্থাপন করার প্রয়াস শুরু হয় এবং বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের প্রয়োজন দেখা দেয়। সেই থেকেই হয়তো জ্যামিতি শাস্ত্রটির সূত্রপাত। অনেক পণ্ডিতদের মতে যে মিশরীয় যুগে থেকে প্রথম জ্যামিতির উৎপত্তি।

পণ্ডিতদের মতবাদ

হিরোডোটাসের মতে, 1457 খ্রীষ্টপূর্ব থেকে 1416 খ্রীষ্টপূর্ব সময়ের মধ্যে সিমোথ্রিসের রাজত্বকালে মিশর দেশে প্রজাদের অধিকৃত ভূমির পরিমাপ করার মধ্যে জ্যামিতি শাস্ত্রটির প্রথম সূত্রপাত হয়েছিল।
** প্রথমে জ্যামিতির কোনো তথ্যসমূহ লিপিবদ্ধ ছিল না। জ্যামিতি বিষয়ে সর্বপ্রথম বই গ্রিকপন্ডিত ইউক্লিড রচিত ‘এলিমেন্টস অফ জিওমেট্রি'। গ্রিক দার্শনিক ইউক্লিডকে তাই জ্যামিতি শাস্ত্রের জনক বলা হয়। তিনি জ্যামিতি শাস্ত্রের ব্যাপক উন্নতি সাধন করেন। এমনকী মানুষ ইউক্লিড বললে জ্যামিতিকে বুঝত, জ্যামিতি বললে ইউক্লিডকে বুঝত। তিনি তাঁর নিজের বহু বিশিষ্ট যুক্তি ও সিদ্ধান্ত সুসমৃদ্ধ করে 'Elements of Geometry' নামক যে গ্রন্থটি উপস্থাপন করেন তা ছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান। গ্রন্থটির 13 টি খন্ড ছিল। প্রথম থেকে ষষ্ঠ খন্ড পর্যন্ত অংশে রেখা, ক্ষেত্রফল, বৃত্ত, সামতলিক ক্ষেত্র সম্পর্কিত আলোচনা রয়েছে।
বিজ্ঞানের ইতিহাসে অ-ইউক্লিডীয় জ্যামিতির অগ্রগতি এক যুগান্তকারী ঘটনা। মিশরীয় যুগ থেকে যে সব জ্যামিতিক জ্ঞান সংজ্ঞা দ্বারা এবং আরোহী সম্পর্কিত অর্জিত হয়েছিল গ্রিকরা তার উত্তরাধিকারী ছিলেন। গ্রিকরা প্রমাণসিদ্ধ করেছিলেন এবং ইউক্লিড সেগুলিকে আশ্রিত করে নিয়মানুবদ্ধ করে লিপিবদ্ধ করেছিলেন। ইউক্লিডীয় জ্যামিতি প্রায় 2000 বছর ধরে প্রচলিত।
প্রসঙ্গত বলা যায় যে, প্রসিদ্ধ গ্রিকপন্ডিত থেলস প্রাচীন মিশরে শিক্ষা অর্জন করেন এবং জ্যামিতি বিষয়ের ওপর বিশেষ আলোকপাত করেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁরই সুযোগ্য ছাত্র পিথাগোরাস জ্যামিতি শাস্ত্রটির আরও বেশি উন্নতি সাধন করেন। তিনিই প্রথম জ্যামিতিকে যুক্তিভিত্তিক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রতিস্থাপিত করেন।


উইকিপিডিয়া থেকে: 

অধ্যাপক  ইউক্লিড প্লেটোর একাডেমির ছাত্র ছিলেন। তিনি দ্যা এলিমেন্টস অব জিওমেট্রি নামে ১৩ অধ্যায়ের একটি বই রচনা করেন, যাতে তিনি জ্যামিতির একটি স্বতঃসিদ্ধ ধারা প্রদর্শন করে, যা ইউক্লিডিয়ান জ্যামিতি নামে পরিচিত। তিনি জ্যামিতির আর আটটি বই রচনা করেন। যদিও ইউক্লিডই প্রথম জ্যামিতির পাঠ্যপুস্তকের রচয়িতা নন তবে তাঁর বইটি এতই এগিয়ে ছিলো যে বাকি বই গুলো পরিত্যাক্ত হয়ে হারিয়ে যায়। মিশরের শাসক প্রথম টলেমি তাঁকে আলেকজান্দ্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন।

দ্যা এলিমেন্টস শুরু হয় বিভিন্ন সঙ্গা দিয়ে, এতে ছিলো মৌলিক জ্যামিতিক নীতি এবং জেনারেল কোয়ান্টিটেটিভ প্রিন্সিপাল যা থেকে বাকি সব জ্যামিতিক ধারণা পাওয়া যায়। তাঁর ৫ টি স্বতঃসিদ্ধ রয়েছে। এগুলো হলো (বোঝার স্বার্থে ভাষা সরলিকৃত হয়েছে)-

  1. দুটি বিন্দু একটি সরলরেখা দ্বারা যুক্ত করা সম্ভব।
  2. যেকোন সসীম সরলরেখাকে সরলরেখায় প্রসারিত করা যায়।
  3. যেকোন ব্যাসার্ধ ও কেন্দ্র বিশিষ্ট বৃত্ত আঁকা সম্ভব।
  4. সকল সমকোন পরস্পর সমান।
  5. একি সমতলে অবস্থিত দুটি সরলরেখা তৃতীয় সরলরেখা দ্বারা ছেদিত হলে, এবং অনুরূপ কোন গুলো পরস্পর সমান হলে রেখা দ্বয় সমান্তরাল হবে।

বর্তমানে পরিচিত বীজগণিত ইউক্লিড জ্যামিতিক আকারে দেখিয়েছিলেন, যা গ্রিক জ্যামিতিক বীজগণিত নামে পরিচিত।


প্রশ্নোত্তর পর্ব:


1. জ্যামিতির জনক কাকে বলে?

উঃ গ্রিক পন্ডিত ইউক্লিড কে জ্যামিতির জনক বলা হয়।
2.ইউক্লিডীয় কোন দেশের পন্ডিত ছিলেন?
উঃ গ্রীক দেশের।
3. জ্যামিতি প্রতিপাদ্যের উপর লিখিত ইউক্লিডের বইটির নাম কি?
উঃ এলিমেন্টস অফ জিওমেট্রি ( Elements of Geometry)
4. জ্যামিতির উৎপত্তি কোন দেশে?
উঃ পৃথিবীর কোন দেশে কখন এবং কীভাবে জ্যামিতি শাস্ত্রের সৃষ্টি তা সঠিকভাবে নির্ণয় করা খুবই দুঃসাধ্য ব্যাপার। অনেক পণ্ডিতদের মধ্যে ধরা হয় মিশরে
5. আধুনিক জ্যামিতির জনক কে?
উঃ ইউক্লিড কে জ্যামিতির জনক বলা হয়।

২৬.২.২৩

পূর্ণরুপ






Full meaning
A
ADSL
Asymmetric Digital Subscriber Line
AGI
Artificial General Intelligence
AI
Artificial Intelligence
ALGOL
Algorithmic Language
ALU
Arithmatic Logic Unit
AMPS
Advanced Mobile Phone System
ANI
Artificial Narrow Intelligence
ANSI
American National Standard Institute
ARPANET
Advance Research Project Agency Network
ASCII
American Standard Code for Information Interchange
ASI
Artificial Super Intelligence
ASP
Active Server Page
ATM
Automated Teller Machine

B
BCD
Binary Coded Decimal
Bit
Binary Digit
BPL
Broadband Over Power Line
bps
bit per second





C
CAD
Computer Aided Design
CAM
Computer Aided Manufacturing
CCD
Charge Coupled Device
CDMA
Code Division Multiple Access
CPU
Central Processing Unit
CRT
    Cathode  Ray Tube     
CSS
Cascading Style Sheet

D
DBMS
Database Management System
DCL
Data Control Language
DDL
Data Definition Language
DML
Data Manipulation Language
DNS
Domain Naming System
DOS
Disc Operating System
DPI
Dot Per Inch
DSL
Digital Subscriber Line

E
EBCDIC
Extended Binary Coded Decimal Information Interchange
EFT
Electronic Fund Transfer
EHR
Electronic Health Record
Email
Electronic Mail
EMI
Electro Magnetic Interference
ESN
Electronic Serial  Number


F
FDMA
Frequency Division Multiple Access
FORTRAN
Formula Translator
FTP
File Transfer Protocol

G
GIF
Graphics Interchange Format
GIS
Geographic Information System
GPRS
General Packet Radio Service
GPS
Global Positioning System
GSM
Global System for Mobile Communications
GUI
Graphical User Interface


H
HMD
Head Mounted Display
HSDPA
High Speed Downlink Packet Access
HTML
Hyper Text Mark Up Language
HTTP
Hyper Text Transfer Protocol
HTTPS
Hyper Text Transfer Protocol Security






I
Iaas
Infrastructure as a Service
IANA
Internet Assigned Number Authority
IC
Integrated Circuit
ICT
Information and Communication Technology
IMEI
International Mobile Equipment Identity
IMSI
International Mobile Subscriber Identity
INTERNET
International Network
IP
Internet Protocol
ISP
Internet Service Provider
IT
Information Technology


J
JPEG
Joint Photographic Experts Group
JPG
Joint Photographic Group




L
LAN
Local Area Network
LCD
Liquid Crystal Display
LED
Light Emitting Diode
LSB
Least Significant Bit
LTE
Long Term Evolution


M
MAN
Metropolitan Area Network
MICR
Magnetic Ink Character Reader
MIN
Mobile Identification Number
MMS
Multimedia Message Service
MODEM
Modulation and Demodulation
MRI
Magnetic Resource Imaging
MSB
Most Significant Bit

N
NASA
National Aeronautics and Space Administration
NIC
Network Interface Card

O
OCR
Optical Character Reader
OMR
 Optical Mark Reader

P
Paas
Platform as a Service
PAN
Personal Area Network
PC
Personal Computer
PDA
Personal Digital Assistant
PDF
Portable Document File
Pixel
Picture Element
PLC
Programmable Logic Controller
PNG
Portable Network Graphics
POP
Post Office Protocol
PSTN
Public Switched Telephone Network

Q
QBE
Query By Example
QR code
Quick Response Code




R
RAM
Random Access Memory
RDBMS
Relational Database Management System
RFID
Radio Frequency Identification
ROM
Read Only Memory


S
SaaS
Software as a Service
SCS
Session Control Statement
SCSI
Small Computer System Interface
SDSL
Symmetric Digital Subscriber Line
SID
System Identification Code
SIM
Subscriber Identity Module
SMS
Short Message Service
SMTP
Simple Mail Transfer Protocol
SPARSO
Space Research Remote Sensing Organization
SQL
Structured Query Language
STP
Shielded Twisted Pair
SVG
Scalable Vector Graphics

T
TCP
Transfer Control Protocol
TCS
Transection Control Statement
TDMA
Time Division Multiple Access

U
UMTS
Universal Mobile Telecommunication System
Unicode
Universal Code
URL
Uniform/Universal Resource Locator
USB
Universal Serial Bus
UTyP
Unshielded Twisted Pair

V
VDU
Visual Display Unit
VIRUS
Vital Information Resources Under Seize

VOIP
Voice Over Internet Protocol
VR
Virtual Reality
VSAT
Very Small Aperture Terminal


W
WAN
Wide Area Network
Wi-bro
Wireless Broadband
Wi-Fi
Wireless Fidelity
WiMAX
Wordwide Interoperability for Microwave Access
WWW
World Wide Web



X
XNOR
Exclusive NOR
XOR
Exclusive OR




আমাদের কোর্সসমূহ:

যে কোর্সটি কিনতে চান তা সম্পর্কে জানতে কোর্সটিকে ক্লিক করুন:


Constitution

সংবিধান

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Geometry

জ্যামিতি

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Liberation war

মুক্তিযুদ্ধ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Jane

ইংরেজি ব্যাকরণ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Mike

ভুগোল

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

John

ইতিহাস

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Jane

পৌরনীতি ও সুশাসন

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Mike

জ্যামিতি

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

John

মুক্তিযুদ্ধ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Jane

ইংরেজি ব্যাকরণ

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

Mike

ভুগোল

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

John

ইতিহাস

কোর্স ফি: ১১০ টাকা

ক্লাস সংখ্যা: 20 টি

পরিক্ষা: 10 টি

page visited: web counter