উপপাদ্য
উপপাদ্য-১ একটি রশ্মির প্রান্ত বিন্দুতে অপর এশটি সরলরেখা মিলিত হলে, যে দুইটি সন্নিহিত কোণ উৎপন্ন হয়, এদের সমষ্টি দুই সমকোণ।
বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিকে আরো সহজতর করে তুলতে বিসিএস জানালা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কোর্স ডেভোলপ করে যাচ্ছে। আশাকরি আমাদের পরিশ্রম শিক্ষার্থীদের প্...
উপপাদ্য-১ একটি রশ্মির প্রান্ত বিন্দুতে অপর এশটি সরলরেখা মিলিত হলে, যে দুইটি সন্নিহিত কোণ উৎপন্ন হয়, এদের সমষ্টি দুই সমকোণ।
যে বহুতলকের ভূমিতল ও উপরিতল দুইটি পরস্পর সমান্তরাল ও সর্বসম বহুভুজ এবং পার্শ্বতলগুলো সামান্তরিক তাকে প্রিজম বলে। প্রিজম হলো সামান্তরিক পার্শ্বতল বিশিষ্ট এক প্রকার বহুতলক।
There are several type of prism like
যে প্রিজমের পার্শ্বতল ও তাদের ধারগুলো ভূমিতলের উপর লম্ব, তাকে খাড়া প্রিজম বলে। ফলে, খাড়া প্রিজমের পার্শ্বতলগুলো সবসময়ই আয়তাকার হয়।
সংজ্ঞাঃ যে চতুর্ভুজের প্রত্যেকটি বাহু সমান এবং বিপরীত কোণদ্বয় সমান তাকে রম্বস বলে।
সংজ্ঞাঃ যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুদ্বয় সমান ও সমান্তরাল এবং বিপরীত কোণদ্বয় সমান তাকে সামান্তরিক বলে।
বর্গক্ষেত্র
সংজ্ঞাঃ যে চতুর্ভুজের প্রত্যেকটি বাহু সমান এবং প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ তাকে বর্গ বলে।
সংজ্ঞাঃ যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুদ্বয় সমান ও সমান্তরাল এবং প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ তাকে আয়তক্ষেত্র বলে।
সংজ্ঞাঃ চার টি বাহু দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্রকে চতুর্ভুজ বলে।
***কর্ণঃ চতুর্ভুুজের বিপরীত কৌণিক বিন্দুদ্বয়ের সংযোজক রেখাংশকে কর্ণ বলে।
চতুর্ভুজ মোট ৬ প্রকার। যথা,-
ত্রিভুজঃ তিনটি রেখাংশ দ্বারা আবদ্ধ কাঠাকোকে ত্রিভুজ বলে।
বাহুঃ রেখাংশগুলোকে ত্রিভুজের বাহু বলে। ত্রিভুজের বাহু ৩ ধরণের হয়ে থাকে।
যথা-
অতিভুজঃ সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভুজ বলে।
অথবা, নির্দিষ্ট সূক্ষ্মকোণের সন্নিহিত ( কানেক্টেড ) বৃহত্তম বাহুকে অতিভুজ বলে।
লম্বঃ নির্দিষ্ট সূক্ষ্মকোণের বিপরীত বাহু কে লম্ব / উন্নতি / উচ্চতা / বিপরীত বাহু বলে। ৪টি নামের মধ্যে লম্ব অথবা বিপরীত বাহু-ই অধিক ব্যবহার করা হয়।
ভূমিঃ নির্দিষ্ট সূক্ষ্মকোণের সন্নিহিত ( কানেক্টেড ) ক্ষুদ্রতম বাহুকে ভূমি বলে।
শীর্ষবিন্দুঃ যে কোন দুইটি বাহুর সাধারণ (কমন) বিন্দুকে শীর্ষবিন্দু বলে। যেমন, চিত্রে-A, B ও C এই তিনটি বিন্দু ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু।
মধ্যমাঃ ত্রিভুজের যে কোন শীর্ষবিন্দু ও তার বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোগকারী রেখাকে মধ্যমা বলে। যেমন, চিত্রে- A শীর্ষবিন্দুর বিপরীত BC বাহুর মধ্যবিন্দু F হওয়ায়, AF রেখা একটি মধ্যমা। অনুরূপভাবে BD এবং CE একটি মধ্যমা।
ভরকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় যে বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে ভরকেন্দ্র বলে। যেমন, চিত্রে -> AF, BD ও CE মধ্যমাত্রয় O বিন্দুতে মিলিত হওয়ায়, O এই ত্রিভুজের একটি ভরকেন্দ্র।
পরিসীমাঃ ত্রিভুজের বাহু তিনটির দৈর্ঘ্যের সমষ্টিকে পরিসীমা বলে। যেমন, চিত্রে- ABC ত্রিভুজের পরিসীমা = (AB+BC+CA ) একক।
ত্রিভুজ বাহুভেদে ৩ প্রকার।
যথা-
কোণভেদে ত্রিভুজ ৩ প্রকার।
যথা-
উপরোক্ত ৬টি ত্রিভুজের উপর নির্ভর করে আরও ৭ধরণের ত্রিভুজ তৈরি করা যায়।
যথা-
উপরোক্ত যে কোন তথ্য নিয়ে যে কোন ধরণের প্রশ্ন মনের মধ্যে উকি দিলে নির্ধিদায় কমেন্ট বক্সে জানাতে পারো। আর হ্যাঁ, তোমার যদি আর্টিকেল টি পড়ে ভালো লাগে বা উপকার হয়ে থাকে তাহলে তোমার Facebook Profile -এ শেয়ার করতে ভুলো না, তাহলে আমি অনেক খুশি হবো।
collected from: https://www.easymathbd.com/%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%9c/
সামতলিক চিত্র কাকে বলে?
একই সমতলে অবস্থিত এক বা একাধিক বক্র বা সরলরেখা দিয়ে সীমাবদ্ধ চিত্রকে সামতলিক চিত্র বলে।
যেমন: ত্রিভুজ, চর্তুভুজ, বৃত্ত ইত্যাদি।
সামতলিক ক্ষেত্র কাকে বলে?
এক বা একাধিক বক্র বা সরলরেখা দিয়ে সীমাবদ্ধ সমতলের অংশকে সামতলিক ক্ষেত্র বলে।
যেমন: ত্রিভুজ, চর্তুভুজ, বৃত্ত ইত্যাদি।
পরিসীমা কাকে বলে?
সামতলিক চিত্রগুলো যে সীমারেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ সেই সীমারেখাগুলির দৈর্ঘ্যর সমষ্টিকে বলা হয় পরিসীমা।
ক্ষেত্রফল কাকে বলে?
সামতলিক চিত্রগুলো দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রের পরিমাণকে সামতলিক ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বলে।
সামতলিক চিত্রের বৈশিষ্ট্য:
১। সামতলিক চিত্র এক বা একাধিক রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ।
২। এগুলো দ্বিমাত্রিক।
৩। প্রতিটি সামতলিক চিত্রের পরিসীমা ও ক্ষেত্রফল থাকে।
৪। যেহেতু সামতলিক চিত্রগুলো দ্বিমাত্রিক সেহেতু এদের কোনো আয়তন নেই।
সামতলিক চিত্রের প্রকারভেদ:
সামতলিক চিত্র দুই প্রকার । যথা:
১। সরলরৈখিক বা ঋজুরেখ চিত্র।(Rectilinear Figure)
২। বক্ররৈখিক চিত্র (Curvilinear Figure)
সরলরৈখিক বা ঋজুরেখ চিত্র:
তিন বা ততোধিক সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ সামতলিক চিত্রকে সরলরৈখিক বা ঋজুরেখ চিত্র বলে।
যেমন: ত্রিভুজ, চতুর্ভূজ, পঞ্চভূজ ইত্যাদি
বক্ররৈখিক চিত্র:
এক বা একাধিক বক্ররেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ সামতলিক চিত্রকে বক্ররৈখিক চিত্র বলে।
যেমন:
বৃত্ত, উপবৃত্ত ইত্যাদি।
মনে রেখো:
কোনো সরলরৈখিক চিত্র যে যে রেখাংশ দ্বারা সীমাবদ্ধ হয়, সেই রেখাংশগুলিকে ওই সরলরৈখিক চিত্রের বাহু বা ভুজ বলে এবং চিত্রগুলোকে বহুভুজ বলে।
এই বাহু বা ভুজের সংখ্যা অনুযায়ী সরল রৈখিক চিত্রগুলোর নামকরণ করা হয়। যেমন:
ত্রিভুজ: ৩ টি বাহু, চতুর্ভূজ: ৪ টি বাহু, পঞ্চভুজ: ৫ টি বাহু।
বহুভুজের অন্ত:কোণের সমষ্টি:
ক সংখ্যক বাহুবিশিষ্ট বহুভূজের অন্ত:কোণগুলোর সমষ্টি = ২(ক-২)৯০ ডিগ্রী।
যেমন:
বাহুর সংখ্যা ৩ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রী।
বাহুর সংখ্যা ৪ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ৩৬০ ডিগ্রী।
বাহুর সংখ্যা ৫ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ৫৪০ডিগ্রী।
বাহুর সংখ্যা ৬ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ৭২০ডিগ্রী।
বাহুর সংখ্যা ৭ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ৯০০ডিগ্রী।
বাহুর সংখ্যা ৮ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ১০৮০ডিগ্রী।
বাহুর সংখ্যা ৯ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ১২৬০ডিগ্রী।
বাহুর সংখ্যা ১০ হলে অন্ত:কোণের সমষ্টি ১৪৪০ডিগ্রী।
বহুভুজের বহি:কোণের সমষ্টি:
যেকোনো বহুভুজের বহি:কোণের সমষ্টি হল ৩৬০ ডিগ্রী।
যে কোনো বহুভুজের একটি অন্ত:কোণের অনুরুপ বহি:কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রী।
কোণ: একই সমতলে দুইটি রশ্মি একটি বিন্দুতে মিলিত হলে কোণ তৈরি হয়। রশ্মি দুইটি কে কোণের বাহু এবং তাদের সাধারণ বিন্দুকে শীর্ষবিন্দু বলে।
১। শূন্যকোণঃ যে কোণের মান শূন্য তাকে শূন্যকোণ বলে। তবে সত্যিকার অর্থে চিত্রের মাধ্যমে শূন্য কোণ কে একটি রেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
২। সূক্মকোণঃ যে কোণের মান শূন্য ডিগ্রি অপেক্ষা বড় কিন্তু ৯০ ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট তাকে সূক্মকোণ বলে।
৩। সমকোণঃ দুটি সরলরেখা পরস্পর ছেদ করলে যদি উৎপন্ন কোণ চারটি পরস্পর সমান হয়, তবে প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। ডিগ্রি পদ্ধতিতে সমকোণকে ৯০ডিগ্রি ধরা হয়। অর্থাৎ, সমকোণের সংজ্ঞায় ৯০ডিগ্রি বলাটা ভুল।
তবে, হ্যাঁ। নিম্নোক্ত ভাবে বললেও চলে। এতে মহাভারত অশুদ্ধ হবে না।
যে কোণের মান ৯০ ডিগ্রি তাকে সমকোণ বলে।
৪। স্থুলকোণঃ যে কোণের মান ৯০ ডিগ্রি অপেক্ষা বড় কিন্তু ১৮০ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট,তাকে স্থুলকোণ বলে। অর্থাৎ যে কোণ এক সমকোণের চেয়ে বড় কিন্তু এক সরলকোণের চেয়ে ছোট।
৫। সরলকোণঃ পরস্পর বিপরীত দুটি রশ্মির মধ্যবর্তী কোণকে বলা হয় এক সরলকোণ।অর্থাৎ যে কোণের মান ১৮০ডিগ্রি তাকে সরলকোণ বলে।২সমকোণ=১৮০ডিগ্রি=১সরলকোণ
৬। প্রবৃদ্ধকোণঃ যে কোণের মান ২সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু ৪সমকোণ অপেক্ষা ছোট তাকে প্রবৃদ্ধকোণ বলে।
৭। পূর্ণকোণঃ কোণের মান ৩৬০ডিগ্রি বা ৪ সমকোণ তাকে পূর্ণকোণ বলে। পূর্ণকোণও শূন্যকোণের মত পাঠ্যবইয়ের পড়াশোনা কম ব্যবহার হয়।অর্থাৎ এক পূর্ণকোণের মান ৩৬০ডিগ্রি।
৮। সন্নিহিত কোণঃ একই সমতলে অবস্থিত একই শীর্ষবিন্দুবিশিষ্ট দুইটি কোণের যদি একটি সাধারণ বাহু থাকে এবং কোণ দুইটি সাধারণ বাহুর বিপরীত পার্শ্বে অবস্থিত হয় তাহলে কোণদ্বয়কে পরস্পরের সন্নিহিত কোণ বলে।
৯। পূরককোণ বা পরিপূরককোণঃ দুইটি কোণের সমষ্টি ৯০ ডিগ্রি হলে তাদের একটিকে অপরটির পূরক কোণ বলে। একটি কোণ ৬০ ডিগ্রি হলে তার পূরককোণ ৩০ ডিগ্রি হয়।
১০। সম্পূরককোণ বা রৈখিক যুগলকোণঃ দুইটি কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি হলে তাদের একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে। যেমন; একটি কোণ ১৬০ ডিগ্রি হলে তার সম্পূরককোণ ২০ ডিগ্রি হয়।
বিঃদ্রঃ সন্নিহিতকোণ, পূরক কোণ/পরিপূরক কোণ, সম্পূরককোণ বা রৈখিক যুগলকোণ এই ৩টি কোণের সম্পর্ক নিয়ে ভিডিও তে আমি বিস্তারিত কয়েকটা উদাহরণ দিয়ে এবং একটা কোণের সাথে আরেক টা কোণের তুলনা করে সুন্দর করে ব্যাখ্যা করতে পেরেছি ভিডিও তে। কিন্তু এখানে তা লেখার মাধ্যমে বলতে গেলে তোমার কাছে কঠিন বা গোলাটে লাগতে পারে বিধায় এডিয়ে গেলাম।
১১। অনুরূপ কোণঃ দুটি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদকরেখার দিকে সমান্তরাল রেখার পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে অনূরুপ কোণ বলে।
***অনুরূপকোণ গুলো পরস্পর সমান হয়।
১২। একান্তর কোণঃ দু’টি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীত পাশে সমান্তরাল রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে সেগুলোকে একান্তর কোণ বলে।
***একান্তরকোণ গুলো পরস্পর সমান হয়।
১৩।বিপ্রতীপ কোণঃ দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয় এদের যেকোণ একটিকে তার বিপরীত কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে।
***বিপ্রতীপকোণ গুলো পরস্পর সমান হয়।
১৪। অর্ধবৃত্তস্থ কোণঃ ব্যাসের দুই প্রান্ত থেকে দুইটি সরলরেখা এসে বৃত্তচাপের উপর যে কোনো স্থানে এসে মিলিত হলে ওই মিলিত স্থানে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা অর্ধবৃত্তস্থ কোণ। চিত্রে: একটি অর্ধবৃত্তস্থ কোণ ১সমকোণ হওয়ায় <ABC=৯০ডিগ্রি।
***অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সবসময় এক সমকোণই হবে।
১৫। বৃত্তস্থকোণ বা বৃত্তে পরিধিস্থকোণ বা বৃত্তে অন্তরলিখিত কোণঃ একটি কোণের শীর্ষবিন্দু কোনো বৃত্তের একটি বিন্দু হলে এবং কোনটির প্রত্যেক বাহুতে শীর্ষবিন্দু ছাড়াও বৃত্তের একটি বিন্দু থাকলে কোণটি কে একটি বৃত্তস্থকোণ বা বৃত্তে অন্তরলিখিত কোণ বলা হয় ।
১৬। কেন্দ্রস্থকোণঃ কোন বৃত্তচাপের প্রান্তদ্বয় হতে সৃষ্ট দুটি সরলরেখা বৃত্তের কেন্দ্র মিলিত হলে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে কেন্দ্রস্থ কোণ বলে।
১৭। যৌগিক কোণঃ দুই বা ততোধিক কোণের সমষ্টিকে যৌগিক কোণ বলে। অর্থাৎ কয়েকটি কোণ মিলে গিয়ে অথবা যুক্ত হয়ে যৌগিক কোণ গঠন করে।
১৮। অন্তঃস্থকোণঃ ত্রিভুজ,চতুর্ভুজ ও বহুভুজের অভ্যন্তরে যে কোনো দুই বাহুর সাপেক্ষে যে কোণের উৎপত্তি ঘটে তাকে অন্তঃস্থকোণ বলে।
১৯। বহিঃস্থ কোণঃ ত্রিভুজ,চতুর্ভুজ ও বহুভুজের বাহিরে বহিঃস্থ বাহুর সাপেক্ষে যে কোণের উৎপত্তি ঘটে, ঐ সকল কোণ কে বহিঃস্থকোণ বলে। চিত্রে: <ABD একটি বহিঃস্থকোণ।
২০। তীর্যককোণঃ যে কোণের পরিমাণ 90° নয় বা 90° এর কোন গুণিতক নয় তাকে তীর্যককোণ বলে। অর্থাৎ যে কোণের মান সমকোণের কোনো গুণিতক নয় তাকে তীর্যককোণ বলে।
২১। রেডিয়ানকোণঃ কোনো বৃত্তের ব্যাসার্ধের সমান চাপ বৃত্তের কেন্দ্রে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে রেডিয়ান কোণ বলে। রেডিয়ান কোণ কে যেকোনো সংখ্যার ডান পাশে উপরের কর্ণারে c বসে। ১রেডিয়ান=৫৭.২৯৫৭৮ডিগ্রি ।
(5)c =৫ রেডিয়ান
যেহেতু এই কোণটি ব্যাসার্ধের উপর নির্ভর করেই উৎপন্ন হয়ে, তাই তাকে ব্যাসার্ধের ইংরেজি প্রতিশব্দ radius এর সাথে মিল রেখে রেডিয়ান কোণ নামে অভিহিত করা হয়।
আর ঠিক এই কারণেই, ব্যাাসার্ধ সব সময় ”r” দ্বারা চিহ্নিত করে থাকি। এই কথার মাধ্যমে তাহলে আমরা আমাদের আরও একটি প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলাম। সেটি হচ্ছেঃ
ব্যাসার্ধ কে সব সময় কেন “r” দ্বারা প্রকাশ করা হয় ?
২২। ধনাত্মক কোণঃ কোনো রশ্মিকে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরালে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে ধনাত্মক কোণ বলে।
২৩। ঋণাত্মককোণঃ কোনো রশ্মিকে ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরালে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে ঋণাত্মক কোণ বলে।
২৪। অবনতিকোণঃ ভুতলের নিচের কোন বিন্দু ভুমির সমান্তরাল রেখার সাথে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে অবনতি কোণ বলে।
২৫। উন্নতিকোণঃ ভুতলের উপরের কোন বিন্দু ভুমির সমান্তরাল রেখার সাথে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে উন্নতি কোণ বলে।
জ্যামিতির যেসব মৌলিক উপাদানগুলো ইউক্লিডীয় জ্যামিতির ভিত্তি, বিন্দু তাদের মধ্যে অন্যতম। ইউক্লিড নিজেই বিন্দুকে একভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। তাঁর মতে, ”যার কোনো অংশ নেই, তাই বিন্দু”। দ্বিমাত্রিক ইউক্লিডীয় সমতলে, একটি বিন্দুকে সংখ্যার একটি ক্রমজোড় (x, y) হিসাবে উপস্থাপন করা হয় এবং (x, y) লিখে বুঝানো হয়, যেখানে ক্রমজোড়ের প্রথম সংখ্যা দ্বারা সচরাচর অনুভূমিক বরাবর দুরত্ব প্রকাশ করা হয় এবং x লিখে বুঝানো হয়; এবং ক্রমজোড়ের দ্বিতীয় সংখ্যা দ্বারা সচরাচর উলম্ব বরাবর দুরত্ব প্রকাশ করা হয় এবং y লিখে বুঝানো হয়। দ্বিমাত্রিক ইউক্লিডীয় সমতলের এই ধারণাটিকে খুব সহজেই ত্রিমাত্রিক ইউক্লিডীয় জগত -এ সাধারণীকরণ করা যায়। ত্রিমাত্রিক ইউক্লিডীয় জগতে, একটি বিন্দুকে সংখ্যার একটি ক্রমত্রয়ী (x, y, z) হিসাবে উপস্থাপন করা হয় এবং (x, y, z) লিখে বুঝানো হয়, যেখানে ক্রমত্রয়ীর প্রথম সংখ্যা দ্বারা সচরাচর দৈর্ঘ্য বরাবর দুরত্ব প্রকাশ করা হয় এবং x লিখে বুঝানো হয়; ক্রমত্রয়ীর দ্বিতীয় সংখ্যা দ্বারা সচরাচর প্রস্থ বরাবর দুরত্ব প্রকাশ করা হয় এবং y লিখে বুঝানো হয়; এবং ক্রমত্রয়ীর তৃতীয় সংখ্যা দ্বারা সচরাচর বেধ বা উচ্চতা বরাবর দুরত্ব প্রকাশ করা হয় এবং z লিখে বুঝানো হয়। দ্বিমাত্রিক ইউক্লিডীয় সমতলের ধারণা এবং ত্রিমাত্রিক ইউক্লিডীয় জগতের এই ধারণাগুলোকে চুড়ান্তভাবে অতি সহজেই সসীম সংখ্যক মাত্রার জগত (finite dimensional space)-এ সাধারণীকরণ করা যায়। সসীম সংখ্যক মাত্রার জগতে একটি বিন্দুকে (x1, x2, x3, ... , xn) হিসাবে উপস্থাপন করা হয় এবং (x1, x2, x3, ... , xn) লিখে বুঝানো হয়। আর n হলো সসীম মাত্রা জগতের (finite dimensional space) মাত্রা যে জগতে বিন্দুটি অবস্থিত।
ইউক্লিডীয় জ্যামিতির অনেক গাঠনিক উপাদানই রয়েছে যেগুলো অসংখ্য বিন্দুর সমন্বয়ে গঠিত এবং এগুলোকে বিন্দুসমূহের সেট রূপে প্রকাশ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একটি রেখা হলো অসংখ্য বিন্দুর সেট; যে সেটকে গঠন পদ্ধতিতে লিখলে দাঁড়ায়,
{L = (x1, x2, x3, ... , xn) : c1x1 + c2x2 + c3x3 + ... , + cnxn = d}
যেখানে c1, c2, c3, ... , cn এবং d ধ্রুবক এবং n হলো জগতের মাত্রা (dimension)। এ ধরণের আরও কিছু জ্যামিতিক গঠন রয়েছে যেগুলো সমতল, রেখাংশ এবং এ সংক্রান্ত অন্যান্য ধারণাগুলোকে সংজ্ঞায়িত করে। বিন্দুকে সংজ্ঞায়িত করা এবং বিন্দু সংশ্লিষ্ট জ্যামিতিক গঠনগুলোর বর্ণনার পাশাপাশি, ইউক্লিড বিন্দু সংক্রান্ত আরও একটি ধারণা স্বীকার করেন যা ইউক্লিড স্বীকার্য বলে পরিচিত। তিনি স্বীকার করেন যে, একটি বিন্দু থেকে অন্য একটি বিন্দু পর্যন্ত একটি সরলরেখা আঁকা যায়
। যাহোক ইউক্লিডের বিন্দু সংক্রান্ত এই স্বীকার্য কিছুটা অসম্পূর্ণ ও অনির্দিষ্ট। কারণ - দুইটি ভিন্ন বিন্দু দিয়ে যে কেবল একটি অনন্য সরলরেখা আঁকা যায় - তাঁর স্বীকার্যে এ বিষয়টি উপেক্ষিত হয়েছে।
জ্যামিতিতে বিন্দুর কেবল অবস্থান আছে। অবস্থান ছাড়া এর আর কোন কিছুই নেই অর্থাৎ বিন্দুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং বেধ বা উচ্চতা বলতে কিছুই নেই। আবার এর কোনো পরিসীমা বা পরিধি, ক্ষেত্রফল বা আয়তন তাও নেই। অর্থাৎ বিন্দুর কোনো মাত্রা নেই। তাই বিন্দুর মাত্রা শুণ্য। সুতরাং, বিন্দু শুণ্য-মাত্রিক জ্যামিতির অন্তর্গত।
একটি সমতলে অবস্থিত দুইটি ভিন্ন বিন্দু স্কেল দ্বারা পরস্পর যোগ করলে একটি সরলরেখা পাওয়া যায়।
বিন্দু বিশ্লেষণ করলে কতকগুলো বিন্দু বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। নিচে কিছু বিন্দুর বৈশিষ্ট্য সমূহ উল্লেখ করা হলোঃ
| Acute Angle | সুক্ষ্মকোণ |
| Acute Triangle | সুক্ষ্মকোণী ত্রিভূজ |
| Adjacent Angle | সন্নিহিত কোণ |
| Altitude (Height) | উচ্চতা |
| Angle | কোণ |
| Area | ক্ষেত্রফল |
| Arc | চাপ |
| Axiom | স্বত:সিদ্ধ |
| Axis | অক্ষ |
| Base | ভূমি |
| Bisect | দ্বিখন্ডিত করা |
| Bisector | দ্বিখন্ডক |
| Central Angle | কেন্দ্রস্থ কোণ |
| Chord | জ্যা |
| Circle | বৃত্ত |
| Circumference | বৃত্তের পরিধি |
| Complementary | পূরক |
| Congruent | সর্বসম |
| Convex | উত্তল |
| Concave | অবতল |
| Cube | ঘন |
| Cone | কোণ |
| Curve | বক্ররেখা |
| Cylinder | সিলিন্ডার |
| Coordinate | স্থানাঙ্ক |
| Corresponding Angle | অনুরুপ কোণ |
| Diagonal | কর্ণ |
| Diameter | ব্যাস |
| Decagon | দশভূজ |
| Distance | দুরত্ব |
| Edge | ধার/ কিনারা |
| Equilateral Triangle | সমবাহু ত্রিভূজ |
| Exterior Angle | বহি:স্থ কোণ |
| Elliptical | উপবৃত্তাকার |
| Face | তল |
| Geometry | জ্যামিতি |
| Hexagon | ষড়ভূজ |
| Hypothesis | অনুমিত, অনুমান বা ধারণা |
| Interior Angle | অন্ত:স্থ কোণ |
| Inscribed | পরিধিস্থ বা বৃত্তস্থ |
| Isosceles Triangle | সমদ্বিবাহু ত্রিভূজ |
| Intersection | ছেদ |
| Inverse | উল্টা |
| Line | রেখা |
| Leg | বাহু |
| Length | দৈর্ঘ্য |
| Median | মধ্যমা |
| Minor Arc | উপচাপ |
| Major Arc | অধিচাপ |
| Midpoint | মধ্যবিন্দু |
| Measure | পরিমাপ |
| Obtuse Angle | স্থূলকোণ |
| Octagon | অষ্টভূজ |
| Parallel | সমান্তরাল |
| Parallelogram | সামান্তরিক |
| Pentagon | পঞ্চভূজ |
| Perpendicular | লম্ব |
| Polygon | বহুভূজ |
| Perimeter | পরিসীমা |
| Postulates | স্বত:সিদ্ধ |
| Point | বিন্দু |
| Plane | সমতল |
| Proportion | সমানুপাত |
| Quadrants | চতুর্ভাগ |
| Quadrilateral | চতুর্ভূজ |
| Radius | ব্যাসার্ধ |
| Rectangle | আয়তক্ষেত্র |
| Right Angle | সমকোণ |
| Right Triangle | সমকোণী ত্রিভূজ |
| Regular Polygon | সুষম বহুভূজ |
| Ratio | অনুপাত |
| Reflex Angle | প্রবৃদ্ধ কোণ |
| Rhombus | রম্বস |
| Side | বাহু |
| Supplementary | সম্পূরক |
| Scalene | বিষমবাহু ত্রিভূজ |
| Semi- Cricle | অর্ধবৃ্ত্ত |
| Segment | খন্ডিত অংশ |
| Straight Angle | সরলকোণ |
| Similar Triangle | সদৃশ ত্রিভূজ |
| Square | বর্গক্ষেত্র |
| Sector | বৃত্তকলা |
| Solid | ঘনবস্তু |
| Slope | ঢাল |
| Sphere | গোলক |
| Triangle | ত্রিভূজ |
| Theorem | উপপাদ্য |
| Tangent | স্পর্শক/ তীর্যক |
| Transversal | ছেদক |
| Trapezoid | ট্রাপিজিয়াম |
| Volume | আয়তন |
| Vertex | শীর্ষবিন্দু |
| Width | প্রস্থ |
উইকিপিডিয়া থেকে:
অধ্যাপক ইউক্লিড প্লেটোর একাডেমির ছাত্র ছিলেন। তিনি দ্যা এলিমেন্টস অব জিওমেট্রি নামে ১৩ অধ্যায়ের একটি বই রচনা করেন, যাতে তিনি জ্যামিতির একটি স্বতঃসিদ্ধ ধারা প্রদর্শন করে, যা ইউক্লিডিয়ান জ্যামিতি নামে পরিচিত। তিনি জ্যামিতির আর আটটি বই রচনা করেন। যদিও ইউক্লিডই প্রথম জ্যামিতির পাঠ্যপুস্তকের রচয়িতা নন তবে তাঁর বইটি এতই এগিয়ে ছিলো যে বাকি বই গুলো পরিত্যাক্ত হয়ে হারিয়ে যায়। মিশরের শাসক প্রথম টলেমি তাঁকে আলেকজান্দ্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন।
দ্যা এলিমেন্টস শুরু হয় বিভিন্ন সঙ্গা দিয়ে, এতে ছিলো মৌলিক জ্যামিতিক নীতি এবং জেনারেল কোয়ান্টিটেটিভ প্রিন্সিপাল যা থেকে বাকি সব জ্যামিতিক ধারণা পাওয়া যায়। তাঁর ৫ টি স্বতঃসিদ্ধ রয়েছে। এগুলো হলো (বোঝার স্বার্থে ভাষা সরলিকৃত হয়েছে)-
বর্তমানে পরিচিত বীজগণিত ইউক্লিড জ্যামিতিক আকারে দেখিয়েছিলেন, যা গ্রিক জ্যামিতিক বীজগণিত নামে পরিচিত।
প্রশ্নোত্তর পর্ব:
1. জ্যামিতির জনক কাকে বলে?
A | |
ADSL | Asymmetric Digital Subscriber Line |
AGI | Artificial General Intelligence |
AI | Artificial Intelligence |
ALGOL | Algorithmic Language |
ALU | Arithmatic Logic Unit |
AMPS | Advanced Mobile Phone System |
ANI | Artificial Narrow Intelligence |
ANSI | American National Standard Institute |
ARPANET | Advance Research Project Agency Network |
ASCII | American Standard Code for Information Interchange |
ASI | Artificial Super Intelligence |
ASP | Active Server Page |
ATM | Automated Teller Machine |
B | |
BCD | Binary Coded Decimal |
Bit | Binary Digit |
BPL | Broadband Over Power Line |
bps | bit per second |
C | |
CAD | Computer Aided Design |
CAM | Computer Aided Manufacturing |
CCD | Charge Coupled Device |
CDMA | Code Division Multiple Access |
CPU | Central Processing Unit |
CRT | Cathode Ray Tube |
CSS | Cascading Style Sheet |
D | |
DBMS | Database Management System |
DCL | Data Control Language |
DDL | Data Definition Language |
DML | Data Manipulation Language |
DNS | Domain Naming System |
DOS | Disc Operating System |
DPI | Dot Per Inch |
DSL | Digital Subscriber Line |
E | |
EBCDIC | Extended Binary Coded Decimal Information Interchange |
EFT | Electronic Fund Transfer |
EHR | Electronic Health Record |
Email | Electronic Mail |
EMI | Electro Magnetic Interference |
ESN | Electronic Serial Number |
F | |
FDMA | Frequency Division Multiple Access |
FORTRAN | Formula Translator |
FTP | File Transfer Protocol |
G | |
GIF | Graphics Interchange Format |
GIS | Geographic Information System |
GPRS | General Packet Radio Service |
GPS | Global Positioning System |
GSM | Global System for Mobile Communications |
GUI | Graphical User Interface |
H | |
HMD | Head Mounted Display |
HSDPA | High Speed Downlink Packet Access |
HTML | Hyper Text Mark Up Language |
HTTP | Hyper Text Transfer Protocol |
HTTPS | Hyper Text Transfer Protocol Security |
I | |
Iaas | Infrastructure as a Service |
IANA | Internet Assigned Number Authority |
IC | Integrated Circuit |
ICT | Information and Communication Technology |
IMEI | International Mobile Equipment Identity |
IMSI | International Mobile Subscriber Identity |
INTERNET | International Network |
IP | Internet Protocol |
ISP | Internet Service Provider |
IT | Information Technology |
J | |
JPEG | Joint Photographic Experts Group |
JPG | Joint Photographic Group |
L | |
LAN | Local Area Network |
LCD | Liquid Crystal Display |
LED | Light Emitting Diode |
LSB | Least Significant Bit |
LTE | Long Term Evolution |
M | |
MAN | Metropolitan Area Network |
MICR | Magnetic Ink Character Reader |
MIN | Mobile Identification Number |
MMS | Multimedia Message Service |
MODEM | Modulation and Demodulation |
MRI | Magnetic Resource Imaging |
MSB | Most Significant Bit |
N | |
NASA | National Aeronautics and Space Administration |
NIC | Network Interface Card |
O | |
OCR | Optical Character Reader |
OMR | Optical Mark Reader |
P | |
Paas | Platform as a Service |
PAN | Personal Area Network |
PC | Personal Computer |
PDA | Personal Digital Assistant |
PDF | Portable Document File |
Pixel | Picture Element |
PLC | Programmable Logic Controller |
PNG | Portable Network Graphics |
POP | Post Office Protocol |
PSTN | Public Switched Telephone Network |
Q | |
QBE | Query By Example |
QR code | Quick Response Code |
R | |
RAM | Random Access Memory |
RDBMS | Relational Database Management System |
RFID | Radio Frequency Identification |
ROM | Read Only Memory |
S | |
SaaS | Software as a Service |
SCS | Session Control Statement |
SCSI | Small Computer System Interface |
SDSL | Symmetric Digital Subscriber Line |
SID | System Identification Code |
SIM | Subscriber Identity Module |
SMS | Short Message Service |
SMTP | Simple Mail Transfer Protocol |
SPARSO | Space Research Remote Sensing Organization |
SQL | Structured Query Language |
STP | Shielded Twisted Pair |
SVG | Scalable Vector Graphics |
T | |
TCP | Transfer Control Protocol |
TCS | Transection Control Statement |
TDMA | Time Division Multiple Access |
U | |
UMTS | Universal Mobile Telecommunication System |
Unicode | Universal Code |
URL | Uniform/Universal Resource Locator |
USB | Universal Serial Bus |
UTyP | Unshielded Twisted Pair |
V | |
VDU | Visual Display Unit |
VIRUS | Vital Information Resources Under Seize |
VOIP | Voice Over Internet Protocol |
VR | Virtual Reality |
VSAT | Very Small Aperture Terminal |
W | |
WAN | Wide Area Network |
Wi-bro | Wireless Broadband |
Wi-Fi | Wireless Fidelity |
WiMAX | Wordwide Interoperability for Microwave Access |
WWW | World Wide Web |
X | |
XNOR | Exclusive NOR |
XOR | Exclusive OR |